সুনামগঞ্জ , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি ঢাকা-সিলেট সড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২৯ সালে : সড়কমন্ত্রী দিরাই সরকারি ডিগ্রি  কলেজে ‎"অধ্যক্ষ বিহীন ১৭ বছর" ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক উন্নয়নে ১৭৪ কোটি টাকার কাজ উদ্বোধন ভিপি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ বেগম ছাতকে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান পণ্যসহ আটক ১ ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? ‎তিন সন্তানকে বিষপান করানোর পর বাবারও বিষপান, তাহিরপুরে তিন শিশুর মৃত্যু সংকটে ধুঁকছে সদর হাসপাতাল শহরের পাসপোর্ট অফিস রোড এলাকায় ঘনঘন চুরি বাংলাদেশ হয়ে উঠার ঐতিহাসিক গল্প আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছাতকের চরমহল্লায় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৯ ওয়ার্ডে ৯ সেলাই মেশিন বিতরণ তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

বড় বন্যার শঙ্কা নেই

  • আপলোড সময় : ২৩-০৬-২০২৬ ০২:১০:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৬-২০২৬ ০২:১০:৫৯ অপরাহ্ন
বড় বন্যার শঙ্কা নেই
স্টাফ রিপোর্টার :: উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জের নদী ও হাওরগুলোতে পানি বাড়ছে। তবে গত রোববারের তুলনায় ঢলের পানি নামার তীব্রতা কমেছে। সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক থেকেও পানি নেমেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে গত রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। একই সময়ে জেলার উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনরামেও বৃষ্টি হয়েছে। তবে রোববার রাতে উজানে বৃষ্টি কম হওয়ায় ঢলের পানি এখন তুলনামূলক কম নামছে। সোমবার সকাল ৯টায় পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ১৮ মিটার। সেখানে পানির বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৮০ মিটার। অর্থাৎ পানি এখনো বিপৎসীমার ৬২ সেন্টিমিটার নিচে আছে। তবে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে ব্যাপক ঢল নামলে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার জানান, সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টি হবে। এতে নদী ও হাওরে পানি বাড়বে। কোথাও কোথাও নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। তবে বড় বন্যার কোনো শঙ্কা নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার রাত ও রবিবার সকালে নামা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী সদর, তাহিরপুর, ছাতক, দোয়ারাবাজার ও মধ্যনগর উপজেলার যেসব রাস্তাঘাট, হাটবাজার ও মানুষের বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছিল, সেসব স্থান থেকে পানি নেমেছে। তবে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কলাগাঁও, চানপুর, চারাগাঁও ও বড়ছড়া এলাকায় ঢলের পানির তোড়ে মানুষের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সদর উপজেলার মঙ্গলকাটা বাজারে হঠাৎ ঢলের পানি আসায় অনেকের দোকানপাটে পানি ঢোকে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন। মঙ্গলকাটা বাজারের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জানান, হঠাৎ ঢল নেমে বাজারের কোথাও হাঁটু আবার কোথাও কোমরসমান পানি হয়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীরা দুর্ভোগে পড়েন। অনেকের দোকানে পানি ঢুকে যায়। তবে রবিবার বিকেল থেকে পানি কমতে থাকে। এখন বাজার থেকে পানি নেমেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এরশাদ মিয়া জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দুর্গাপুর, শক্তিয়ারখলা ও তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর এলাকা প্লাবিত হয়। রাতে ঢলের পানি কম নামায় এসব স্থান থেকে পানি নেমেছে। সদর উপজেলার সুরমা নদীর তীরের সদরগড় গ্রামের বাসিন্দা মনির উদ্দিন বলেন, রাতে বৃষ্টি কম হয়েছে। বৃষ্টি কম হওয়ায় নদীর পানি বেশি বাড়েনি। সুনামগঞ্জে হাওরে মাছ ও নৌ যাতায়াতের সুবিধার জন্য স্বাভাবিক বন্যার দরকার আছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর

প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর