সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা দোয়ারাবাজারে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ শহরে মারামারি, নিরপেক্ষ তদন্ত চায় শ্রাবণের পরিবার দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ, সুনামগঞ্জে যুবদলের মিছিল সমাবেশ ‎বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরের সড়কজুড়ে শতাধিক তালগাছের চারা রোপণ ‎জাতিসংঘে তারেকের প্রথম ভাষণ, সামনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ‎বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ও র‍্যালি রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনসাধারণের ক্ষোভ তাহিরপুরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বহিষ্কার সোনালী চেলা নদীতে ড্রেজারের তান্ডব থামেনি সাদাসিধে জীবন, আলোকিত কর্মযাত্রা নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সদরে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন ফারুকীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফুটবল উৎসব উদ্বোধন প্রকল্পের অপেক্ষায় ভাগাড়ে পরিণত পুরাতন পৌরসভা চত্বর কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন সফর সংক্ষিপ্ত, কূটনৈতিক কর্মসূচি বিস্তৃত: নিউইয়র্কে তারেক রহমান নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

বড় বন্যার শঙ্কা নেই

  • আপলোড সময় : ২৩-০৬-২০২৬ ০২:১০:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৬-২০২৬ ০২:১০:৫৯ অপরাহ্ন
বড় বন্যার শঙ্কা নেই
স্টাফ রিপোর্টার :: উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জের নদী ও হাওরগুলোতে পানি বাড়ছে। তবে গত রোববারের তুলনায় ঢলের পানি নামার তীব্রতা কমেছে। সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক থেকেও পানি নেমেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে গত রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। একই সময়ে জেলার উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনরামেও বৃষ্টি হয়েছে। তবে রোববার রাতে উজানে বৃষ্টি কম হওয়ায় ঢলের পানি এখন তুলনামূলক কম নামছে। সোমবার সকাল ৯টায় পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ১৮ মিটার। সেখানে পানির বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৮০ মিটার। অর্থাৎ পানি এখনো বিপৎসীমার ৬২ সেন্টিমিটার নিচে আছে। তবে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে ব্যাপক ঢল নামলে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার জানান, সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টি হবে। এতে নদী ও হাওরে পানি বাড়বে। কোথাও কোথাও নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। তবে বড় বন্যার কোনো শঙ্কা নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার রাত ও রবিবার সকালে নামা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী সদর, তাহিরপুর, ছাতক, দোয়ারাবাজার ও মধ্যনগর উপজেলার যেসব রাস্তাঘাট, হাটবাজার ও মানুষের বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছিল, সেসব স্থান থেকে পানি নেমেছে। তবে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী কলাগাঁও, চানপুর, চারাগাঁও ও বড়ছড়া এলাকায় ঢলের পানির তোড়ে মানুষের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সদর উপজেলার মঙ্গলকাটা বাজারে হঠাৎ ঢলের পানি আসায় অনেকের দোকানপাটে পানি ঢোকে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন। মঙ্গলকাটা বাজারের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জানান, হঠাৎ ঢল নেমে বাজারের কোথাও হাঁটু আবার কোথাও কোমরসমান পানি হয়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীরা দুর্ভোগে পড়েন। অনেকের দোকানে পানি ঢুকে যায়। তবে রবিবার বিকেল থেকে পানি কমতে থাকে। এখন বাজার থেকে পানি নেমেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এরশাদ মিয়া জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দুর্গাপুর, শক্তিয়ারখলা ও তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর এলাকা প্লাবিত হয়। রাতে ঢলের পানি কম নামায় এসব স্থান থেকে পানি নেমেছে। সদর উপজেলার সুরমা নদীর তীরের সদরগড় গ্রামের বাসিন্দা মনির উদ্দিন বলেন, রাতে বৃষ্টি কম হয়েছে। বৃষ্টি কম হওয়ায় নদীর পানি বেশি বাড়েনি। সুনামগঞ্জে হাওরে মাছ ও নৌ যাতায়াতের সুবিধার জন্য স্বাভাবিক বন্যার দরকার আছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে ‘প্রতিষ্ঠা প্রকল্পে’র অবহিতকরণ কর্মশালা