সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”
৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা পরিশোধের পরও অপসারণ হয়নি অধিকাংশ খুঁটি

ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ

  • আপলোড সময় : ০৭-০৬-২০২৬ ০৮:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৬-২০২৬ ০৮:১৭:৪২ পূর্বাহ্ন
ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ
শহীদনূর আহমেদ::
সুনামগঞ্জ জেলা শহরের যানজট নিরসন ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শুরু হওয়া চারলেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে এগোচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরু থেকেই নানা জটিলতায় কাজ ব্যাহত হলেও বর্তমানে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সড়কের দুই পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটি। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই বছর মেয়াদি এই চারলেন সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স। চলতি বছরের প্রথমার্ধে কাজ শুরু হলেও আগামী বছরের জুনে শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সওজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তরের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ খুঁটি অপসারণ করা হয়নি। ফলে সড়কের কোথাও মাঝখানে, কোথাও বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা খুঁটিগুলোকে পাশ কাটিয়েই চলছে কার্পেটিং ও অন্যান্য নির্মাণকাজ। এ অবস্থায় শহরের প্রধান সড়কে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দ্রুতগতির যানবাহনগুলো দুর্ঘটনার আশঙ্কার মধ্যে চলাচল করছে। সড়কের মাঝখানে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো এখন অনেকের কাছে ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুঁটি স্থানান্তরের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির কারণে সড়কের সিসি ও আরসিসি ঢালাইয়ের কাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শহরবাসীর অভিযোগ, নির্মাণকাজের ধীরগতির কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। পাশাপাশি অসম্পূর্ণ সড়ক, মাটি ভরাটের বাকি কাজ, অবৈধ দখল এবং সড়কের পাশে পড়ে থাকা নির্মাণসামগ্রী জনভোগান্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে। শহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা নূরুল হাসান আতাহের বলেন, কাজের অগ্রগতি হতাশাজনক। এখনো বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণ হয়নি, অনেক জায়গায় মাটি ভরাটের কাজও বাকি। শহরে প্রায়ই যানজট লেগে থাকে। এভাবে চললে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ হবে বলে মনে হয় না।
সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আহাদ উল্লাহ বলেন, খুঁটি স্থানান্তরের জন্য আমরা নিয়মিত তাগিদ দিচ্ছি। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ বারবার সময় চাইছে। খুঁটি অপসারণ না হওয়ায় প্রকল্পের কাজ দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়ছে। তারপরও আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী রাসেল আহমাদ বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ চলছে। সড়কের পশ্চিম পাশের প্রায় ৫৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। লোডশেডিং ও জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সওজের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত বাকি কাজ শেষ করা হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও আগামী দুই মাসের মধ্যে সড়কের পূর্ব পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স