সুনামগঞ্জ , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা

  • আপলোড সময় : ০৬-০৬-২০২৬ ০৯:৫৬:০৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৬-২০২৬ ০৯:৫৬:০৩ পূর্বাহ্ন
পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: দেশের বিভিন্ন সীমান্তে অব্যাহত রয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা। এক সীমান্তে ব্যর্থ হয়ে অন্য সীমান্তে নতুন করে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় পুলিশের হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ লোকজনকে জড়ো করে সীমান্তে আনার তথ্যও মিলেছে। তবে বিজিবির কড়া অবস্থান, বাড়তি নজরদারি এবং স্থানীয় জনসাধারণের সতর্কতার কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১০টি পৃথক পুশইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী জনপদে বাড়ছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় জনগণও পুশইন প্রতিরোধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছে বলে জানা যায়। কোথাও পুশইনের জন্য সীমান্তে সন্দেহজনক লোকজন জড়ো করতে দেখা গেলে বিজিবিকে অবগত করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সেই তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কোথাও সীমান্তবর্তী বাসিন্দারা পুশইন করা ব্যক্তিকে আটক করে সংবাদ জানাচ্ছেন বিজিবিকে। যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত, জয়পুরহাটের কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তে, ঠাকুরগাঁও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা, পঞ্চগড়ের রওশনপুর সীমান্তে, সিলেটের উৎমাছড়া সীমান্ত, নেত্রকোণা কচুগড়া সীমান্ত দিয়ে সবচেয়ে বেশি পুশইনের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। একটি সীমান্তে ব্যর্থ হলে অন্য সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করছে বিএসএফ। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ঈদুল আজহার আগে থেকেই বিএসএফ পুশইন করতে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ জন্য তারা বেছে নিচ্ছে নানা কৌশল। ভারতীয় পুলিশ কর্তৃক স্থাপিত বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে নারী-পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধদের আটক করে পুশইনের লক্ষ্যে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করছে। প্রিজন ভ্যানে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে আসা হচ্ছে সীমান্তে। সুযোগ বুঝে সীমান্তের গেট খুলে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্ত এলাকায় ৪ থেকে ৫ ব্যক্তি বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিক বাধা প্রদান করে। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে তারা পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। এদিকে মহেশপুরের সামন্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একটি প্রিজন ভ্যানে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ ব্যক্তিকে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল ও স্থানীয় জনসাধারণের তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের পুনরায় ভ্যানে তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। বিজিবির খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যশোরের গোগা ও রুদ্রপুর সীমান্ত এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে পুশইনের উদ্দেশ্যে সীমান্তের কাছে অবস্থান করতে দেখা যায়। বিজিবির প্রতিরোধমূলক তৎপরতার ফলে বিএসএফ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কয়া ও বাসুদেবপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ ব্যক্তিকে একত্রিত করে পুশইনের প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়। পুশইন প্রতিরোধে বিজিবির তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার ফলে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ২ ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভারতে পুশব্যাক করা হয়। এ ছাড়া নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কচুগড়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের মহাদেব থানাধীন বলিশী গীতারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে একত্রিত করে রাখা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সীমান্তের একটি অংশে প্রাকৃতিক কারণে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় ওই এলাকা দিয়ে পুশইনের সম্ভাবনা বিবেচনায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানাচ্ছে যে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এদিকে পুশইনের খবরে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়লেও বিজিবির পাশাপাশি তারাও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ফলে সীমান্ত এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত হাকিমপুর সীমান্তে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন নারী, পুরুষ ও শিশু জড়ো করা হয়। তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভারতীয় পুলিশ বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে বলে বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সীমান্তে বাড়তি সতর্কতার কারণে বিএসএফের ওই চেষ্টা এখন পর্যন্ত সফল হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, পুশইনের আশঙ্কায় তাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও যেকোনো পরিস্থিতিতে তারা বিজিবির পাশে থেকে যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেবেন। তারা সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করার পাশাপাশি কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা সীমান্তের ৫৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দিন-রাত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই কথা বলেন সাতক্ষীরার নিলডুমুরস্থ বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহরিয়ার রাজিব। তিনি বলেন, তার অধীন ৮৪ কিলোমিটার জল ও স্থল সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকা সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট ব্যবহার করে অতীতে পুশইনের চেষ্টা করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর ফলে অনুপ্রবেশকারীরা সুবিধা করতে পারছে না। এ বিষয়ে ১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুবায়ের আনোয়ার জানান, সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমরা সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি ব্যাপক জোরদার করেছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের সঙ্গেও আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। বিজিবির এই কঠোর তৎপরতার কারণে গত এক মাসে আমাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোনো পুশইনের ঘটনা ঘটেনি এবং আমরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছি। বেনাপোল সাদিপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া খুলে জোরপূর্বক পুশইন করা ১০ থেকে ১২ জন নারী-পুরুষ ও শিশু শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বুধবার সকালে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। এদিকে শূন্যরেখা থেকে ১০-১২ জনকে সরিয়ে নেওয়ার পর সীমান্ত থেকে বিজিবির অতিরিক্ত সদস্যও প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তের ওই এলাকায় স্বাভাবিক টহল চলছে। গত রোববার রাত থেকে সাদিপুর সীমান্ত এলাকায় জোরপূর্বক পুশইন কেন্দ্র করে তিন দিন ধরে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ সময় সীমান্তের শূন্যরেখায় ১০-১২ জন নারী-পুরুষ ও শিশু আটকে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছিল। যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আমরা জানতে পারে পারি, আমাদের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পুশইনের সম্ভাবনা রয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও জনবল বৃদ্ধি করা হয়। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমাদের বিজিবি সদস্যরা সর্তক অবস্থানে থাকে। ৩১ মে রাতে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়াসংলগ্ন এলাকায় তাদের সীমান্ত লাইটগুলো বন্ধ করে দেয়। সেটা দেখার পর আমাদের আশঙ্কা হয় ভারত থেকে পুশইনের চেষ্টা হতে পারে। আমরা একপর্যায়ে দেখতে পারি ১০০ থেকে ১২০ জন মানুষকে তারা গাড়ি থেকে নামিয়েছে। এরপর থেকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয় এবং মাইকিং ও বাঁশি বাজিয়ে তাদের সর্তক করা হয়। যেন কোনোভাবে তারা পুশইনের চেষ্টা করতে না পারে। তারপরেও তারা কাঁটাতারের বেড়া খুলে ১০ থেকে ১২ জনকে বের করে দেয়। সেই ১০-১২ জন মানুষ জিরোর লাইনের ভারত সীমান্তে ১০০ থেকে ১৫০ গজ দূরে অবস্থান করে। তাদের আমরা কোনোভাবেই আমাদের সীমান্তে আসতে দেইনি। বৃহ¯পতিবার সকাল থেকে তাদের দেখা যাচ্ছে না। হয়তো বৈরী আবহাওয়ার কারণে তারা ঝোপঝাড়ের মধ্যে অবস্থান করতে পারে। - সময়ের আলো

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স