স্টাফ রিপোর্টার::
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার, গণমাধ্যমকর্মীদের তৎপরতা এবং পুলিশের মানবিক উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখেছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার এক অসহায় দিনমজুর। সম্মিলিত উদ্যোগে ২৩ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা, একটি নতুন নৌকা ও খাদ্যসামগ্রী পেয়েছেন সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ডুপিকোণা গ্রামের বাসিন্দা সাজু মিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার সন্তান নিয়ে একটি মাত্র বসতঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন সাজু মিয়া। গত ৩১ মে দুর্বৃত্তরা তার জীবিকার অন্যতম অবলম্বন ‘ওয়ার্ল্ড ভিশন’ থেকে পাওয়া প্রায় ৫০টি হাঁস মেরে ফেলে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সাজু মিয়ার অসহায়ত্বের বিষয়টি দ্রুত মানুষের নজরে আসে। এরপর সৌদি আরবপ্রবাসী দুই মানবিক ব্যক্তি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তাদের একজন ১০ হাজার এবং অপরজন ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাঠান। বিষয়টি জানার পর মানবিক উদ্যোগে যুক্ত হন সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রতন শেখ পিপিএম। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি নিজে এক বস্তা চাল ও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ নিয়ে সাজু মিয়ার বাড়িতে যান। প্রবাসীদের দেওয়া অর্থ থেকে ১১ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি নতুন নৌকা কিনে দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাজু মিয়ার হাতে নগদ ৯ হাজার টাকা এবং এক বস্তা চাল তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা জানান, হাওরাঞ্চলে বসবাসকারী সাজু মিয়ার জন্য একটি নৌকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। পূর্বের নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চরম দুর্ভোগে ছিলেন। নতুন নৌকাটি ব্যবহার করে তিনি যেমন যাতায়াত করতে পারবেন, তেমনি মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহের সুযোগও পাবেন। এদিকে হাঁস মারা যাওয়ার ঘটনায় সাজু মিয়া গ্রামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করলেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ওসি রতন শেখ স্থানীয় মুরব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকে অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে ওসির মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝি ও বিরোধের অবসান ঘটিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মীমাংসা করা হয়। পুলিশ, প্রবাসী ও সাংবাদিকদের সমন্বিত এই মানবিক উদ্যোগে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ওসি মো. রতন শেখ পিপিএম বলেন, হাঁস মারা যাওয়ার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে পরিবারটির তাৎক্ষণিক দুরবস্থা বিবেচনায় পুলিশ, প্রবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বিরোধও শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার, গণমাধ্যমকর্মীদের তৎপরতা এবং পুলিশের মানবিক উদ্যোগে নতুন আশার আলো দেখেছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার এক অসহায় দিনমজুর। সম্মিলিত উদ্যোগে ২৩ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা, একটি নতুন নৌকা ও খাদ্যসামগ্রী পেয়েছেন সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ডুপিকোণা গ্রামের বাসিন্দা সাজু মিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার সন্তান নিয়ে একটি মাত্র বসতঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন সাজু মিয়া। গত ৩১ মে দুর্বৃত্তরা তার জীবিকার অন্যতম অবলম্বন ‘ওয়ার্ল্ড ভিশন’ থেকে পাওয়া প্রায় ৫০টি হাঁস মেরে ফেলে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সাজু মিয়ার অসহায়ত্বের বিষয়টি দ্রুত মানুষের নজরে আসে। এরপর সৌদি আরবপ্রবাসী দুই মানবিক ব্যক্তি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তাদের একজন ১০ হাজার এবং অপরজন ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাঠান। বিষয়টি জানার পর মানবিক উদ্যোগে যুক্ত হন সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রতন শেখ পিপিএম। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি নিজে এক বস্তা চাল ও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ নিয়ে সাজু মিয়ার বাড়িতে যান। প্রবাসীদের দেওয়া অর্থ থেকে ১১ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি নতুন নৌকা কিনে দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাজু মিয়ার হাতে নগদ ৯ হাজার টাকা এবং এক বস্তা চাল তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা জানান, হাওরাঞ্চলে বসবাসকারী সাজু মিয়ার জন্য একটি নৌকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। পূর্বের নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চরম দুর্ভোগে ছিলেন। নতুন নৌকাটি ব্যবহার করে তিনি যেমন যাতায়াত করতে পারবেন, তেমনি মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহের সুযোগও পাবেন। এদিকে হাঁস মারা যাওয়ার ঘটনায় সাজু মিয়া গ্রামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করলেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ওসি রতন শেখ স্থানীয় মুরব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকে অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে ওসির মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝি ও বিরোধের অবসান ঘটিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মীমাংসা করা হয়। পুলিশ, প্রবাসী ও সাংবাদিকদের সমন্বিত এই মানবিক উদ্যোগে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ওসি মো. রতন শেখ পিপিএম বলেন, হাঁস মারা যাওয়ার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে পরিবারটির তাৎক্ষণিক দুরবস্থা বিবেচনায় পুলিশ, প্রবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বিরোধও শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।