সামছুল ইসলাম সরদার, দিরাই থেকে ::
গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার, জলমহাল ও লেনদেন সহ তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে হাওর বেষ্টিত ভাটি অঞ্চলের দিরাইয়ে গত পাঁচ মাসে ১জন নারীসহ খুন হয়েছেন ৬ জন। পাঁচ শতাধিক আহত সহ শতাধিক ঘর বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তবুও থামছে না আধিপত্যের লড়াই। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ওই বছরের ১৪ এপ্রিল আধিপত্যের লড়াইয়ে খুন হন উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল আশ্রম গ্রামের আঞ্জু মিয়া, ৮ এপ্রিল রফিনগর ইউনিয়নের রফিনগর কান্দা হাটির গিয়াস উদ্দিন, একই দিনে ওই ইউনিয়নের সাদির পুর গ্রামের আহাদ নুর, ১২ মে ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের রতন মিয়া, করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামের ইসলাম উদ্দিন ও সর্বশেষ ২৯ মে দিরাই পৌরশহরের নতুন বাগবাড়ী গ্রামের মিতা বেগম। এর বছর খানেক পুর্বে উপজেলার জগদল ইউনিয়নের পুকিডর গ্রামে ও মাতারগাও গ্রামে আরও দুই জন গ্রাম্য আধিপত্যে বিস্তারের লড়াইয়ে খুন হয়েছেন। মামলা - হামলা লুটপাট বেড়েই চলছে। খুন, লুটপাট, ভাংচুর বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনির মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান,কিছু গ্রাম্য মোড়ল তাদের হীন স্বার্থ হাসিল করতে গ্রামে কোন্দল জিয়ে রাখেন,ওদের কারণেই বিভিন্ন গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও জলমহাল ইজারা, লেনাদেনা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আমাদের এলাকায় বিভিন্ন গ্রামে মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে গত মাসে ৬ জন নারী পুরুষ খুন ও অন্তত পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষ আহত হয়েছেন। দিন দিন গ্রাম্য কোন্দল বেড়েই চলেছে, আমরা সাধারণ মানুষ খুবই আতঙ্কে ও নিরপত্তা হীনতায় দিন কাটাচ্ছি। জানিনা এর শেষ কোথায়। প্রশাসনের একাধিক দায়িত্বশীলরা জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম হাওর পাড়ের গ্রামগুলোতে আধিপত্য বিস্তার, জলমহাল ও লেনাদেনা নিয়েই বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রশাসন ইচ্ছে করলে অনেক সময় যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকায় দ্রুত ঘটনা স্থলে যাওয়া সম্ভব হয়না। হাওর পাড়ের সাধারন মানুষ কে সেবা দিতে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই।
গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার, জলমহাল ও লেনদেন সহ তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে হাওর বেষ্টিত ভাটি অঞ্চলের দিরাইয়ে গত পাঁচ মাসে ১জন নারীসহ খুন হয়েছেন ৬ জন। পাঁচ শতাধিক আহত সহ শতাধিক ঘর বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তবুও থামছে না আধিপত্যের লড়াই। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ওই বছরের ১৪ এপ্রিল আধিপত্যের লড়াইয়ে খুন হন উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল আশ্রম গ্রামের আঞ্জু মিয়া, ৮ এপ্রিল রফিনগর ইউনিয়নের রফিনগর কান্দা হাটির গিয়াস উদ্দিন, একই দিনে ওই ইউনিয়নের সাদির পুর গ্রামের আহাদ নুর, ১২ মে ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের রতন মিয়া, করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামের ইসলাম উদ্দিন ও সর্বশেষ ২৯ মে দিরাই পৌরশহরের নতুন বাগবাড়ী গ্রামের মিতা বেগম। এর বছর খানেক পুর্বে উপজেলার জগদল ইউনিয়নের পুকিডর গ্রামে ও মাতারগাও গ্রামে আরও দুই জন গ্রাম্য আধিপত্যে বিস্তারের লড়াইয়ে খুন হয়েছেন। মামলা - হামলা লুটপাট বেড়েই চলছে। খুন, লুটপাট, ভাংচুর বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনির মানুষের সাথে কথা বললে তারা জানান,কিছু গ্রাম্য মোড়ল তাদের হীন স্বার্থ হাসিল করতে গ্রামে কোন্দল জিয়ে রাখেন,ওদের কারণেই বিভিন্ন গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও জলমহাল ইজারা, লেনাদেনা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আমাদের এলাকায় বিভিন্ন গ্রামে মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে গত মাসে ৬ জন নারী পুরুষ খুন ও অন্তত পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষ আহত হয়েছেন। দিন দিন গ্রাম্য কোন্দল বেড়েই চলেছে, আমরা সাধারণ মানুষ খুবই আতঙ্কে ও নিরপত্তা হীনতায় দিন কাটাচ্ছি। জানিনা এর শেষ কোথায়। প্রশাসনের একাধিক দায়িত্বশীলরা জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম হাওর পাড়ের গ্রামগুলোতে আধিপত্য বিস্তার, জলমহাল ও লেনাদেনা নিয়েই বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রশাসন ইচ্ছে করলে অনেক সময় যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকায় দ্রুত ঘটনা স্থলে যাওয়া সম্ভব হয়না। হাওর পাড়ের সাধারন মানুষ কে সেবা দিতে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই।