স্টাফ রিপোর্টার ::
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় সংঘটিত মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মুক্তিখলা গ্রামের দুই সহোদর আজীর উদ্দিন ও আমির উদ্দিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “বিশ্বজন”। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে রবিবার বিকেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে নতুন কাপড় উপহার দেওয়া হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা ও সদস্যরা পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং ঈদের আনন্দ কিছুটা হলেও ভাগাভাগি করার চেষ্টা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা নুরুল হাসান আতাহের ও কুদরত পাশা, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কর্ণ বাবু দাস, প্রচার স¤পাদক ইব্রাহিম মিয়াসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। সংগঠনের উপদেষ্টা নুরুল হাসান আতাহের বলেন, বিশ্বজন সবসময় সমাজের অসহায়, ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। প্রতিবছরের মতো এবারও আমরা পথশিশু ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদের নতুন কাপড় বিতরণ করছি। কয়েকদিন আগে সিলেটে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মুক্তিখলা গ্রামের দুই সহোদর আজীর উদ্দিন ও আমির উদ্দিন নিহত হন। পরিবারের আট সদস্যের মধ্যে তারাই ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাদের মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে। আমরা আগেও বিভিন্নভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি, ভবিষ্যতেও পাশে থাকার চেষ্টা করবো।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় সংঘটিত মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মুক্তিখলা গ্রামের দুই সহোদর আজীর উদ্দিন ও আমির উদ্দিনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “বিশ্বজন”। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে রবিবার বিকেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে নতুন কাপড় উপহার দেওয়া হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা ও সদস্যরা পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং ঈদের আনন্দ কিছুটা হলেও ভাগাভাগি করার চেষ্টা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা নুরুল হাসান আতাহের ও কুদরত পাশা, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কর্ণ বাবু দাস, প্রচার স¤পাদক ইব্রাহিম মিয়াসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। সংগঠনের উপদেষ্টা নুরুল হাসান আতাহের বলেন, বিশ্বজন সবসময় সমাজের অসহায়, ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। প্রতিবছরের মতো এবারও আমরা পথশিশু ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদের নতুন কাপড় বিতরণ করছি। কয়েকদিন আগে সিলেটে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মুক্তিখলা গ্রামের দুই সহোদর আজীর উদ্দিন ও আমির উদ্দিন নিহত হন। পরিবারের আট সদস্যের মধ্যে তারাই ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাদের মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে। আমরা আগেও বিভিন্নভাবে তাদের সহযোগিতা করেছি, ভবিষ্যতেও পাশে থাকার চেষ্টা করবো।