জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী::
প্রথমবারের মতো পঞ্চাশ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে আসতে পারে বড় পরিবর্তন। আলোচনা চলছে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো ও দফতর পুনর্বিন্যাস নিয়েও। এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে। এবারেরটাও ধীরে ধীরে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজানের নাম। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, মন্ত্রিসভার আকার বৃদ্ধি হলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন এই দুই নেতা। যদিও দলীয়ভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও ছাতক-দোয়ারাবাজারসহ পুরো সুনামগঞ্জজুড়ে বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মনোনয়ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে আলোচনায় ছিলেন মিলন ও মিজান। শেষ পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। অন্যদিকে দলীয় প্রধান তারেক রহমানের আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিত মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান বিএনপি সরকার গঠনের পর সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পান। সম্প্রতি মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হলে ছাতক-দোয়ারাবাজারের রাজনীতিতেও নতুন করে সরব হয়ে ওঠেন দুই নেতার কর্মী-সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে তারা নিজেদের নেতাদের মন্ত্রিসভায় দেখতে চেয়ে মতামত প্রকাশ করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণেই ‘মিলন-মিজান’ এখনো আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। বিশেষ করে এলাকায় তাদের শক্ত অবস্থান ও জনপ্রিয়তা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। তবে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। তারপরও ‘মিলন-মিজান’কে ঘিরে কর্মী-সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে।
প্রথমবারের মতো পঞ্চাশ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে আসতে পারে বড় পরিবর্তন। আলোচনা চলছে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো ও দফতর পুনর্বিন্যাস নিয়েও। এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে। এবারেরটাও ধীরে ধীরে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজানের নাম। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, মন্ত্রিসভার আকার বৃদ্ধি হলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন এই দুই নেতা। যদিও দলীয়ভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও ছাতক-দোয়ারাবাজারসহ পুরো সুনামগঞ্জজুড়ে বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মনোনয়ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে আলোচনায় ছিলেন মিলন ও মিজান। শেষ পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। অন্যদিকে দলীয় প্রধান তারেক রহমানের আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিত মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান বিএনপি সরকার গঠনের পর সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পান। সম্প্রতি মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হলে ছাতক-দোয়ারাবাজারের রাজনীতিতেও নতুন করে সরব হয়ে ওঠেন দুই নেতার কর্মী-সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে তারা নিজেদের নেতাদের মন্ত্রিসভায় দেখতে চেয়ে মতামত প্রকাশ করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণেই ‘মিলন-মিজান’ এখনো আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। বিশেষ করে এলাকায় তাদের শক্ত অবস্থান ও জনপ্রিয়তা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। তবে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। তারপরও ‘মিলন-মিজান’কে ঘিরে কর্মী-সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে।