আকরাম উদ্দিন ::
গ্রীষ্মের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে সুনামগঞ্জের বাজারগুলো মৌসুমি ফলে সয়লাব হয়ে গেছে। জেলার প্রধান বাজার, হাট-বাজার ও শহরের বিভিন্ন সড়কে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানগুলোতে এখন দেখা মিলছে নানা জাতের রসালো ও সুস্বাদু ফলের। বুধবার শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে ফুটপাতের দোকানে, টুকরিতে ও ভ্যান প্রভৃতি করে লিচু, আম ও কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে। বর্তমান বাজারে লিচু হলো ক্রেতাদের খুব পছন্দের। এই লিচুসহ আছে বিভিন্ন প্রজাতির আম। বিশেষ করে গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আ¤্রপালি ও ফজলি আমে বাজার সয়লাব। পাশাপাশি কাঁঠাল, তরমুজ ও আনারস কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ট্রাফিক পয়েন্ট, কাজীর পয়েন্ট, ষোলঘর পয়েন্ট, হাছননগর, ওয়েজখালি প্রভৃতি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে। গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি ফলের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তবে মৌসুমের শুরু হওয়ায় বাজারে ফলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশ চড়া। বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি গোপালভোগ আম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, হিমসাগর ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা এবং ল্যাংড়া আম ১৫০ টাকার বেশি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কোনো কোনো বিক্রেতা যেমন খুশি দামে করছেন। এছাড়া প্রতি এক শত লিচু ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কাঁঠাল আকারভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং আনারস প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফল ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সুনামগঞ্জে ফল আসতে শুরু করেছে। সামনে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কিছুটা কমে আসবে। শহরের কয়েকজন ক্রেতা বলেন, গরমের সময়ে মৌসুমি ফলের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে শুরুতেই দাম বেশি হওয়ায় অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার পরিমাণমতো ফল কিনতে পারছেন না। তারপরও পরিবারের শিশুদের জন্য অল্প পরিমাণে হলেও ফল কিনছেন তারা। ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, শহরে এবারের মওসুমী ফল বেরিয়েছে। কিন্তু দাম অনেক বেশি। নূরুল হাসান আতাহের বলেন, এখন বাজারে লিচুর আমদানি বেশি দেখা যাচ্ছে। নতুন বেরিয়েছে তাই দামও বেশি। ফল ব্যবসায়ী সুলেমান মিয়া বলেন, আমরা এই নিরাপদ ফল দামে কিনি। তাই সামান্য বেশি লাভে বেচাকেনা করি।
গ্রীষ্মের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে সুনামগঞ্জের বাজারগুলো মৌসুমি ফলে সয়লাব হয়ে গেছে। জেলার প্রধান বাজার, হাট-বাজার ও শহরের বিভিন্ন সড়কে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানগুলোতে এখন দেখা মিলছে নানা জাতের রসালো ও সুস্বাদু ফলের। বুধবার শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে ফুটপাতের দোকানে, টুকরিতে ও ভ্যান প্রভৃতি করে লিচু, আম ও কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে। বর্তমান বাজারে লিচু হলো ক্রেতাদের খুব পছন্দের। এই লিচুসহ আছে বিভিন্ন প্রজাতির আম। বিশেষ করে গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আ¤্রপালি ও ফজলি আমে বাজার সয়লাব। পাশাপাশি কাঁঠাল, তরমুজ ও আনারস কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ট্রাফিক পয়েন্ট, কাজীর পয়েন্ট, ষোলঘর পয়েন্ট, হাছননগর, ওয়েজখালি প্রভৃতি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে। গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি ফলের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তবে মৌসুমের শুরু হওয়ায় বাজারে ফলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশ চড়া। বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি গোপালভোগ আম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, হিমসাগর ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা এবং ল্যাংড়া আম ১৫০ টাকার বেশি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কোনো কোনো বিক্রেতা যেমন খুশি দামে করছেন। এছাড়া প্রতি এক শত লিচু ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কাঁঠাল আকারভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং আনারস প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফল ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সুনামগঞ্জে ফল আসতে শুরু করেছে। সামনে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কিছুটা কমে আসবে। শহরের কয়েকজন ক্রেতা বলেন, গরমের সময়ে মৌসুমি ফলের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে শুরুতেই দাম বেশি হওয়ায় অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার পরিমাণমতো ফল কিনতে পারছেন না। তারপরও পরিবারের শিশুদের জন্য অল্প পরিমাণে হলেও ফল কিনছেন তারা। ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, শহরে এবারের মওসুমী ফল বেরিয়েছে। কিন্তু দাম অনেক বেশি। নূরুল হাসান আতাহের বলেন, এখন বাজারে লিচুর আমদানি বেশি দেখা যাচ্ছে। নতুন বেরিয়েছে তাই দামও বেশি। ফল ব্যবসায়ী সুলেমান মিয়া বলেন, আমরা এই নিরাপদ ফল দামে কিনি। তাই সামান্য বেশি লাভে বেচাকেনা করি।