স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে সাম্প্রতিক আইন সংশোধন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হক। তিনি সাক্ষ্য আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী আইন-২০২৬) বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমদাদ তদন্ত কার্যক্রমের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও করণীয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন। ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী আইন-২০২৬) বিষয়ে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম। সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন সিলেট পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. মল্লিক মইনুদ্দীন সুহেল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হামিদ এবং সাধারণ স¤পাদক অ্যাড. হুমায়ূন কবির। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাতক চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ মুরসালিনসহ বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, সংশোধিত আইনে ১২০ দিনের পরিবর্তে এখন ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করতে হবে। এছাড়া আসামি গ্রেফতারের সময় পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গলায় আইডি কার্ড ঝুলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে গ্রেফতার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। গ্রেফতার সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে পুলিশ তা দিতে বাধ্য থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রেফতারের পরপরই আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। নারী আসামির ক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া আইন সংশোধনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সুনামগঞ্জের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে সাম্প্রতিক আইন সংশোধন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হক। তিনি সাক্ষ্য আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী আইন-২০২৬) বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এমদাদ তদন্ত কার্যক্রমের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও করণীয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন। ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী আইন-২০২৬) বিষয়ে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম। সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন সিলেট পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. মল্লিক মইনুদ্দীন সুহেল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুল হামিদ এবং সাধারণ স¤পাদক অ্যাড. হুমায়ূন কবির। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাতক চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ মুরসালিনসহ বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, সংশোধিত আইনে ১২০ দিনের পরিবর্তে এখন ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করতে হবে। এছাড়া আসামি গ্রেফতারের সময় পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গলায় আইডি কার্ড ঝুলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে গ্রেফতার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। গ্রেফতার সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে পুলিশ তা দিতে বাধ্য থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রেফতারের পরপরই আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। নারী আসামির ক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া আইন সংশোধনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।