স্টাফ রিপোর্টার ::
‘উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে শুরু হয়েছে ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার সকাল ১০টায় শহরের সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য যাদুঘর প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পালের সভাপতিত্বে এবং সহকারী কমিশনার দিপান্বিতা দেবীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মতিউর রহমান খান, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হোসেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কাশেম আজাদ, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জ্যোতির্ময় দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) চাতক চাকমা এবং সুনামগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুল শিকদার।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়েশা আক্তার।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। পরে তিনি মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ সোয়াদ সাত্তার চৌধুরীসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং গীতা পাঠ করেন রামকৃষ্ণ আশ্রমের পুরোহিত অমিত চক্রবর্তী। ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য যাদুঘর প্রাঙ্গণে ৩৫টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
সভায় বক্তারা বলেন, বিজ্ঞানেই মুক্তি, প্রযুক্তিতেই সমৃদ্ধি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। বিজ্ঞানের মাধ্যমে মানুষ অজানাকে জানতে পারে, আর প্রযুক্তি সেই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জীবনকে সহজ, আধুনিক ও গতিশীল করে তোলে।
বক্তারা আরও বলেন, বিজ্ঞান হলো সত্য ও অজানার অনুসন্ধান, আর প্রযুক্তি সেই জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ। প্রযুক্তির হাত ধরেই আজকের কল্পনা ও স্বপ্ন আগামী দিনের বাস্তবতায় রূপ নেয়। তাই নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।