মোহাম্মদ নূর::
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর-ধোপাখালি সড়কের মাঝখানে দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি এখন জনসাধারণের জন্য চরম আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকায় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যস্ততম এই সড়কের পানি উন্নয়ন বোর্ড সংলগ্ন এলাকার অংশে ঠিক মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি অবস্থান করায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, বিশেষ করে রাতের আঁধারে কিংবা বৃষ্টির সময় দূর থেকে খুঁটিগুলো স্পষ্ট দেখা না যাওয়ায় চালকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। গত কয়েক মাসে এখানে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ একাধিক যানবাহন দুর্ঘটনায় পড়েছে। ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সেলিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি খুঁটিগুলো রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তা বড় করা হলেও খুঁটি সরানো হয়নি। কর্তৃপক্ষ কি বড় কোনো দুর্ঘটনার অপেক্ষায় আছে? দ্রুত এগুলো অপসারণ করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পথচারী নাসির উদ্দিন জানান, শুধু পৌর এলাকার মানুষজন নয়, উত্তর সুরমার হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসগামী মানুষ সবসময় এই জায়গায় আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করেন। সামান্য অসতর্ক হলেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত খুঁটি অপসারণ করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল বলেন, আমরা এর আগেও বিদ্যুৎ অফিসকে এই খুঁটিগুলো অপসারণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। রাস্তার কাজ শেষ হলেও খুঁটিগুলো না সরানোয় ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা আবারও তাদের দাপ্তরিক চিঠি পাঠাবো যাতে দ্রুত এগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমদ ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ লাইন বা খুঁটি স্থানান্তর করতে নির্দিষ্ট খরচের প্রয়োজন হয়। যদি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ লাইন নির্মাণের প্রয়োজনীয় খরচ বহন করে এবং আমাদের অনুকূলে জমা দেয়, তবেই এই লাইন অপসারণ বা নতুন স্থানে লাইন নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এদিকে দুই দপ্তরের দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রশাসনিক জটিলতা নয়, জননিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের মাঝখানে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ করা হোক।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর-ধোপাখালি সড়কের মাঝখানে দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি এখন জনসাধারণের জন্য চরম আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকায় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যস্ততম এই সড়কের পানি উন্নয়ন বোর্ড সংলগ্ন এলাকার অংশে ঠিক মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি অবস্থান করায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, বিশেষ করে রাতের আঁধারে কিংবা বৃষ্টির সময় দূর থেকে খুঁটিগুলো স্পষ্ট দেখা না যাওয়ায় চালকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। গত কয়েক মাসে এখানে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ একাধিক যানবাহন দুর্ঘটনায় পড়েছে। ষোলঘর এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সেলিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি খুঁটিগুলো রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তা বড় করা হলেও খুঁটি সরানো হয়নি। কর্তৃপক্ষ কি বড় কোনো দুর্ঘটনার অপেক্ষায় আছে? দ্রুত এগুলো অপসারণ করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পথচারী নাসির উদ্দিন জানান, শুধু পৌর এলাকার মানুষজন নয়, উত্তর সুরমার হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসগামী মানুষ সবসময় এই জায়গায় আতঙ্কের মধ্যে চলাচল করেন। সামান্য অসতর্ক হলেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত খুঁটি অপসারণ করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল বলেন, আমরা এর আগেও বিদ্যুৎ অফিসকে এই খুঁটিগুলো অপসারণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। রাস্তার কাজ শেষ হলেও খুঁটিগুলো না সরানোয় ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা আবারও তাদের দাপ্তরিক চিঠি পাঠাবো যাতে দ্রুত এগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমদ ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ লাইন বা খুঁটি স্থানান্তর করতে নির্দিষ্ট খরচের প্রয়োজন হয়। যদি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ লাইন নির্মাণের প্রয়োজনীয় খরচ বহন করে এবং আমাদের অনুকূলে জমা দেয়, তবেই এই লাইন অপসারণ বা নতুন স্থানে লাইন নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এদিকে দুই দপ্তরের দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রশাসনিক জটিলতা নয়, জননিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের মাঝখানে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ করা হোক।