মোহাম্মদ নূর::
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করেছে। বুধবার (৬ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, আক্রান্ত ৯৪ জনের মধ্যে ২২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, আর ৭২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা জানান, এবারের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ বছর বা তার কম বয়সী শিশুরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা এবং টিকাদানে ঘাটতির কারণেই তারা দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা জানান, শিশুর শরীরে অস্বাভাবিক জ্বর দেখা দিলে অবহেলা করা যাবে না। শরীরে লালচে দানা বা রেশ দেখা দেওয়া মাত্রই নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। হাম একটি ছোঁয়াচে রোগ, তাই আক্রান্ত শিশুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামের সংক্রমণ রোধে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। এ জন্য সংক্রমণ ঝুঁকি বিবেচনায় সাধারণ রোগীদের নিরাপত্তার জন্য হাসপাতালের আটতলায় একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। মূল ইউনিটে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় আটতলায় এই আলাদা ওয়ার্ডটিতে এখন রোগীদের রাখা হবে।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করেছে। বুধবার (৬ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, আক্রান্ত ৯৪ জনের মধ্যে ২২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, আর ৭২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা জানান, এবারের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ বছর বা তার কম বয়সী শিশুরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা এবং টিকাদানে ঘাটতির কারণেই তারা দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা জানান, শিশুর শরীরে অস্বাভাবিক জ্বর দেখা দিলে অবহেলা করা যাবে না। শরীরে লালচে দানা বা রেশ দেখা দেওয়া মাত্রই নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। হাম একটি ছোঁয়াচে রোগ, তাই আক্রান্ত শিশুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামের সংক্রমণ রোধে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। এ জন্য সংক্রমণ ঝুঁকি বিবেচনায় সাধারণ রোগীদের নিরাপত্তার জন্য হাসপাতালের আটতলায় একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। মূল ইউনিটে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় আটতলায় এই আলাদা ওয়ার্ডটিতে এখন রোগীদের রাখা হবে।