স্টাফ রিপোর্টার ::
দিরাই উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে, পাশাপাশি হাওরের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি এবং অন্তত ১০টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ করেই শুরু হয় তুমুল কালবৈশাখী ঝড়। এর সঙ্গে ছিল প্রবল শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান কৃষক লিটন মিয়া। তিনি চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া (আশনাবাজ) গ্রামের বাসিন্দা। জানা গেছে, ঝড়ের সঙ্গে হওয়া শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন হাওরে পাকা বোরো ধানের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে রফিনগর ইউনিয়নের কালিয়াকুটা হাওরে ধানের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রেমানন্দ চৌধুরী বলেন, শিলাবৃষ্টির তা-বে হাওরের প্রায় সব ধান ঝরে গেছে। এদিকে ঝড়ের সময় নদী পার হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ১০টি গরু মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বলনপুর ও জগন্নাথপুর গ্রামের বিভিন্ন কৃষকের এসব গরু ছিল। স্থানীয়রা জানান, প্রবল ঝড়ে দিকভ্রান্ত হয়ে গরুগুলো পানিতে পড়ে যায় এবং সাঁতরে পার হতে না পেরে মারা যায়। দিরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনোরঞ্জন অধিকারী জানান, রফিনগর ইউনিয়নের বলনপুর ব্লকের পাগনার হাওড় এবং কালিকুটা হাওরের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি চরনারচর ইউনিয়নের এলংজুড়ি, পেরুয়া, মধুপুর, শেরপুর, কানুপুর, আলীপুর, শতানন্দপুর, বক্তারপুর, হাছনাবাদ ও নুরপুর গ্রামেও শিলাবৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও ৭০ শতাংশ, কোথাও ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ফসল নষ্ট হয়েছে। মাঠ জরিপ শেষে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা যাবে।
দিরাই উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে, পাশাপাশি হাওরের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি এবং অন্তত ১০টি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে হঠাৎ করেই শুরু হয় তুমুল কালবৈশাখী ঝড়। এর সঙ্গে ছিল প্রবল শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান কৃষক লিটন মিয়া। তিনি চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া (আশনাবাজ) গ্রামের বাসিন্দা। জানা গেছে, ঝড়ের সঙ্গে হওয়া শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন হাওরে পাকা বোরো ধানের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে রফিনগর ইউনিয়নের কালিয়াকুটা হাওরে ধানের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রেমানন্দ চৌধুরী বলেন, শিলাবৃষ্টির তা-বে হাওরের প্রায় সব ধান ঝরে গেছে। এদিকে ঝড়ের সময় নদী পার হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ১০টি গরু মারা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বলনপুর ও জগন্নাথপুর গ্রামের বিভিন্ন কৃষকের এসব গরু ছিল। স্থানীয়রা জানান, প্রবল ঝড়ে দিকভ্রান্ত হয়ে গরুগুলো পানিতে পড়ে যায় এবং সাঁতরে পার হতে না পেরে মারা যায়। দিরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনোরঞ্জন অধিকারী জানান, রফিনগর ইউনিয়নের বলনপুর ব্লকের পাগনার হাওড় এবং কালিকুটা হাওরের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি চরনারচর ইউনিয়নের এলংজুড়ি, পেরুয়া, মধুপুর, শেরপুর, কানুপুর, আলীপুর, শতানন্দপুর, বক্তারপুর, হাছনাবাদ ও নুরপুর গ্রামেও শিলাবৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও ৭০ শতাংশ, কোথাও ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ফসল নষ্ট হয়েছে। মাঠ জরিপ শেষে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা যাবে।