মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ ::
জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হাসপাতালটি পুনরায় চালুর উদ্যোগে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর আগে দৈনিক সুনামকণ্ঠসহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় হাসপাতালটি চালুর দাবিতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালটি চালুর সম্ভাব্যতা ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে একটি তদস্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। (যার স্মারক নং : ০৫.৪৬.৯০৫০,০০০,৬১.১২১.২০-২৩৪) ওই প্রতিবেদনে হাসপাতালটি পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মঈন উদ্দিন আলমগীরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে হাসপাতালটির বর্তমান অবস্থা, অবকাঠামো ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।
তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে লিখেন, হাসপাতালটি সংস্কার করা হলে এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে সুরমার নদীর উত্তর পাড়ের ৩ টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ সহজেই চিকিৎসা সুবিধা পাবে, যা বর্তমানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া প্রতিবেদনে হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার, জনবল নিয়োগ এবং আনুষঙ্গিক ব্যবস্থার বিষয়ে সুস্পষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত হাসপাতালটি চালুর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্বেচ্ছায় কাজ করা বিএনপি নেতা খুরশিদ আলম বলেন, হাসপাতালটি সংগ্রামের পরও বেশ কয়েক বছর স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে নদীর দক্ষিণপাড়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু হলে এটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে নদীর উত্তর পাড়ে এই হাসপাতালটি চালু হলে আমাদের অনেক ভোগান্তি কমবে। বর্তমানে গর্ভবতী নারী, শিশু ও সামান্য চিকিৎসার জন্যও নদী পাড় হয়ে যেতে হয়। এতে অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি এখন জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। সেখান থেকে ঢাকায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হাসপাতালটি পুনরায় চালুর উদ্যোগে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর আগে দৈনিক সুনামকণ্ঠসহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় হাসপাতালটি চালুর দাবিতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালটি চালুর সম্ভাব্যতা ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে একটি তদস্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। (যার স্মারক নং : ০৫.৪৬.৯০৫০,০০০,৬১.১২১.২০-২৩৪) ওই প্রতিবেদনে হাসপাতালটি পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মঈন উদ্দিন আলমগীরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে হাসপাতালটির বর্তমান অবস্থা, অবকাঠামো ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।
তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে লিখেন, হাসপাতালটি সংস্কার করা হলে এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে সুরমার নদীর উত্তর পাড়ের ৩ টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ সহজেই চিকিৎসা সুবিধা পাবে, যা বর্তমানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া প্রতিবেদনে হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার, জনবল নিয়োগ এবং আনুষঙ্গিক ব্যবস্থার বিষয়ে সুস্পষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত হাসপাতালটি চালুর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্বেচ্ছায় কাজ করা বিএনপি নেতা খুরশিদ আলম বলেন, হাসপাতালটি সংগ্রামের পরও বেশ কয়েক বছর স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে নদীর দক্ষিণপাড়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু হলে এটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে নদীর উত্তর পাড়ে এই হাসপাতালটি চালু হলে আমাদের অনেক ভোগান্তি কমবে। বর্তমানে গর্ভবতী নারী, শিশু ও সামান্য চিকিৎসার জন্যও নদী পাড় হয়ে যেতে হয়। এতে অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি এখন জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। সেখান থেকে ঢাকায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।