স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জে বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা আনয়ন ও বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আয়োজনে আদালতের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ফৌজদারি মামলাগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সম্ভাব্য সমাধানসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একইসঙ্গে বিচার বিভাগ ও পুলিশের মধ্যে কাজের গতিশীলতা বাড়ানো এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রমের গুণগত মান উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় ‘ফৌজদারি মামলার সমস্যাসমূহ ও সম্ভাব্য সমাধান’ বিষয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম। প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের মাধ্যমে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩১ ও ৩৫ অনুচ্ছেদে দেশের প্রত্যেক মানুষের আইনের আশ্রয় লাভ এবং দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচার লাভের অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগ এই সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগ মূল ভূমিকা পালন করলেও প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগসহ রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের সমন্বয় ছাড়া ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অসম্ভব। মূলত সুনামগঞ্জের বিচারিক কাজকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই সম্মেলনের আয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, জেলার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ ও কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য এবং এ বিষয়ে সকলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি প্রতিটি বিভাগকে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের আহ্বান জানান।
কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন ও সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হক, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াজুল কাউসার, সিভিল জজ তাহিয়া আকতার, জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সুমন বণিক, জেল সুপার মাঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার ও চাতক চাকমা, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হকসহ বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
সুনামগঞ্জে বিচার ব্যবস্থার গতিশীলতা আনয়ন ও বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আয়োজনে আদালতের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ফৌজদারি মামলাগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সম্ভাব্য সমাধানসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একইসঙ্গে বিচার বিভাগ ও পুলিশের মধ্যে কাজের গতিশীলতা বাড়ানো এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রমের গুণগত মান উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় ‘ফৌজদারি মামলার সমস্যাসমূহ ও সম্ভাব্য সমাধান’ বিষয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম। প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের মাধ্যমে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩১ ও ৩৫ অনুচ্ছেদে দেশের প্রত্যেক মানুষের আইনের আশ্রয় লাভ এবং দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচার লাভের অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগ এই সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগ মূল ভূমিকা পালন করলেও প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগসহ রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের সমন্বয় ছাড়া ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অসম্ভব। মূলত সুনামগঞ্জের বিচারিক কাজকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই সম্মেলনের আয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, জেলার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ ও কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য এবং এ বিষয়ে সকলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি প্রতিটি বিভাগকে নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের আহ্বান জানান।
কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন ও সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হক, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াজুল কাউসার, সিভিল জজ তাহিয়া আকতার, জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সুমন বণিক, জেল সুপার মাঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার ও চাতক চাকমা, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোহাইমিনুল হকসহ বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।