স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের হাওরে বিচ্ছিন্নভাবে ধানকাটা শুরু হয়েছে। সরকারি হিসেবে বুধবার পর্যন্ত প্রায় ৫৫ হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, আগাম পাকে দেশিয় প্রজাতির এমন বোরো ধানই তারা কর্তন করছেন। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে হাওরে ধানকাটা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তারা। মওসুম ভালো হলে এবার হাওরে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি বছর ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৫ হেক্টর এবং নন হাওরে ৫৮ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। গতকাল বুধবার পর্যন্ত কর্তন হয়েছে ৫৫ হেক্টর। সম্পূর্ণ ফসল গোলায় ওঠলে এবার সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপন্ন হবে হাওরে। গত মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শিলা বৃষ্টিতে ১২১ হেক্টর এবং জলাবদ্ধতায় ৩ হাজার ১৮৯ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রহস্ত হয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে এই ক্ষতির পরিমাণ কয়েকগুণ বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
শাল্লা উপজেলার মনুয়া গ্রামের কৃষক মো. একরামুল হোসেন বলেন, হাইব্রিড ও উন্নত জাতের ধান প্রতি ত্রিশ শতাংশে ২০-২৫ মন হয়েছে। আর দেশি প্রজাতির আগাম কাটা হচ্ছে, এমন ধান ১০-১২ মণ হচ্ছে। যদি বছর ভালো হয় জলাবদ্ধতায় ক্ষয়-ক্ষতির পরও ফলন ভালো হবে। তবে শ্রমিক ও হারভেস্টার যন্ত্র পর্যাপ্ত দরকার।
কৃষকরা জানান, জগন্নাথপুর, শাল্লা, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশাসহ বিভিন্ন হাওরে আগাম বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু জমির ধান কাটছেন কৃষক।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, দেশি প্রজাতির এবং হাইব্রিড প্রজাতির কিছু ধান প্রতিটি হাওরেই বিচ্ছিন্নভাবে কর্তন হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে পুরোদমে ধান কাটা হবে। বছর ভালো হলে এবারও বাম্পার ফলন হবে।
সুনামগঞ্জের হাওরে বিচ্ছিন্নভাবে ধানকাটা শুরু হয়েছে। সরকারি হিসেবে বুধবার পর্যন্ত প্রায় ৫৫ হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, আগাম পাকে দেশিয় প্রজাতির এমন বোরো ধানই তারা কর্তন করছেন। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে হাওরে ধানকাটা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তারা। মওসুম ভালো হলে এবার হাওরে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি বছর ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৫ হেক্টর এবং নন হাওরে ৫৮ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। গতকাল বুধবার পর্যন্ত কর্তন হয়েছে ৫৫ হেক্টর। সম্পূর্ণ ফসল গোলায় ওঠলে এবার সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপন্ন হবে হাওরে। গত মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শিলা বৃষ্টিতে ১২১ হেক্টর এবং জলাবদ্ধতায় ৩ হাজার ১৮৯ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রহস্ত হয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে এই ক্ষতির পরিমাণ কয়েকগুণ বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
শাল্লা উপজেলার মনুয়া গ্রামের কৃষক মো. একরামুল হোসেন বলেন, হাইব্রিড ও উন্নত জাতের ধান প্রতি ত্রিশ শতাংশে ২০-২৫ মন হয়েছে। আর দেশি প্রজাতির আগাম কাটা হচ্ছে, এমন ধান ১০-১২ মণ হচ্ছে। যদি বছর ভালো হয় জলাবদ্ধতায় ক্ষয়-ক্ষতির পরও ফলন ভালো হবে। তবে শ্রমিক ও হারভেস্টার যন্ত্র পর্যাপ্ত দরকার।
কৃষকরা জানান, জগন্নাথপুর, শাল্লা, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশাসহ বিভিন্ন হাওরে আগাম বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু জমির ধান কাটছেন কৃষক।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, দেশি প্রজাতির এবং হাইব্রিড প্রজাতির কিছু ধান প্রতিটি হাওরেই বিচ্ছিন্নভাবে কর্তন হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে পুরোদমে ধান কাটা হবে। বছর ভালো হলে এবারও বাম্পার ফলন হবে।