স্টাফ রিপোর্টার::
লিবিয়া থেকে সাগরপথে ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত সুনামগঞ্জের ১২ যুবকের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয় সংসদের একটি প্রতিনিধি দল রোববার (৫ এপ্রিল) সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রতিনিধি দলটি জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও গ্রামে নিহত আলী আহমদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত¡না দেন।
এ সময় তারা নিহতদের স্বজনদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় সংসদীয় কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
তারা জানান, পর্যায়ক্রমে নিহত সব পরিবারের সঙ্গেই সাক্ষাৎ করা হবে। সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ বলেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর গভীর সহানুভূতি রয়েছে। তরুণদের অবৈধ পথে বিদেশ যাত্রা থেকে বিরত রাখতে সরকার ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে বিপুল সংখ্যক বেকার যুবককে বৈধ উপায়ে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, উন্নত জীবনের আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দেওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা চাই দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বৈধ পথে বিদেশ যাত্রা নিশ্চিত হোক, যাতে আর কোনো পরিবার এভাবে সন্তান হারানোর শোক না পায়।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, ভূমধ্যসাগরে নিহতদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অবগত রয়েছেন। সরকার তাদের পরিবারের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। একই দিনে দিরাই উপজেলায় নিহতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। দিরাই পৌরশহরের থানা রোডে বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহত ছয় যুবকের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, দালালদের প্ররোচনায় অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে যে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা চাই সবাই বৈধ পথে বিদেশে যাক এবং নিরাপদ জীবন গড়–ক। সভায় জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরের গ্রীস উপকূলে নৌকাডুবিতে ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়। এর মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ জন ও ছাতক উপজেলার ১ জন রয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে আসে।
লিবিয়া থেকে সাগরপথে ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত সুনামগঞ্জের ১২ যুবকের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয় সংসদের একটি প্রতিনিধি দল রোববার (৫ এপ্রিল) সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রতিনিধি দলটি জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও গ্রামে নিহত আলী আহমদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত¡না দেন।
এ সময় তারা নিহতদের স্বজনদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় সংসদীয় কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
তারা জানান, পর্যায়ক্রমে নিহত সব পরিবারের সঙ্গেই সাক্ষাৎ করা হবে। সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ বলেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর গভীর সহানুভূতি রয়েছে। তরুণদের অবৈধ পথে বিদেশ যাত্রা থেকে বিরত রাখতে সরকার ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে বিপুল সংখ্যক বেকার যুবককে বৈধ উপায়ে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, উন্নত জীবনের আশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়ি দেওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা চাই দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বৈধ পথে বিদেশ যাত্রা নিশ্চিত হোক, যাতে আর কোনো পরিবার এভাবে সন্তান হারানোর শোক না পায়।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, ভূমধ্যসাগরে নিহতদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অবগত রয়েছেন। সরকার তাদের পরিবারের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। একই দিনে দিরাই উপজেলায় নিহতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। দিরাই পৌরশহরের থানা রোডে বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহত ছয় যুবকের পরিবারের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে এমপি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, দালালদের প্ররোচনায় অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে যে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা চাই সবাই বৈধ পথে বিদেশে যাক এবং নিরাপদ জীবন গড়–ক। সভায় জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরের গ্রীস উপকূলে নৌকাডুবিতে ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়। এর মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ জন ও ছাতক উপজেলার ১ জন রয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে আসে।