জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী::
ছাতক উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কার্যক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনের শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যক্তিকে একাধিক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা, অপরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদান এবং অনেক বাঁধে এখনো ড্রেসিং কাজ অসম্পন্ন থাকায় আগাম বন্যায় বোরো ফসল হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। জানা যায়, জেলার ১২টি উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো ধান রক্ষায় ফসল রক্ষা বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু এসব বাঁধকে ঘিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বারবারই ওঠে। ছাতক উপজেলায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা মনিটরিং কমিটি, পিআইসি সদস্য এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে বাঁধ প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নি¤œমানের কাজ দেখিয়ে মোটা অংকের বরাদ্দ উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। উপজেলার ২৭টি পিআইসির মধ্যে অধিকাংশ প্রকল্পেই দায়সারা কাজ করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মৌসুমের শুরুতেই সামান্য বৃষ্টিতে বিভিন্ন বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও ধসে পড়ছে। অনেক প্রকল্পে পুরাতন বাঁধের ওপর সামান্য মাটি ফেলে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, বাঁধের এমন দুর্বল অবস্থার কারণে তারা ফসল নিয়ে চরম শঙ্কায় রয়েছেন। বিগত অর্থবছরেও একই ধরনের অনিয়ম হলেও বড় ধরনের বন্যা না হওয়ায় ক্ষতি হয়নি। তবে চলতি বছরে আগাম বন্যা হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বছর নতুন করে পিআইসি গঠন না করে আগের অর্থবছরের কমিটি দিয়েই কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে কোনো গণসংযোগ, সমাবেশ বা কার্যকর মনিটরিং দেখা যায়নি। সম্প্রতি হাওরপাড়ের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক বাঁধে ড্রেসিং কাজ অস¤পন্ন অবস্থায় রয়েছে। কোথাও কোথাও কাজের তুলনায় বরাদ্দ কয়েকগুণ বেশি দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। জাউয়াবাজার ও চরমহল্লা ইউনিয়নে একাধিক প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মাণ ও অতিরিক্ত বরাদ্দের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেখার হাওরের বিভিন্ন পিআইসিতে কয়েক লাখ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ থাকলেও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এছাড়া একাধিক পিআইসিতে একই ব্যক্তিকে সভাপতি বা সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। কোথাও একই ব্যক্তি একাধিক কমিটিতে দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়মবহির্ভূত বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক প্রকল্পে বরাদ্দের অর্ধেক কাজও হয়নি, কিন্তু পুরো বিল উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সৈদুজ্জামান নাহিদ বলেন, নির্ধারিত সময় পেরোলেও ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ স¤পন্ন হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডিপ্লোমেসি চাকমা জানান, তিনি যোগদানের আগেই মনিটরিং কমিটি গঠিত হয়েছে। তবে তিনি ইতোমধ্যে প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছাতক উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কার্যক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনের শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যক্তিকে একাধিক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা, অপরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদান এবং অনেক বাঁধে এখনো ড্রেসিং কাজ অসম্পন্ন থাকায় আগাম বন্যায় বোরো ফসল হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। জানা যায়, জেলার ১২টি উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো ধান রক্ষায় ফসল রক্ষা বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু এসব বাঁধকে ঘিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বারবারই ওঠে। ছাতক উপজেলায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা মনিটরিং কমিটি, পিআইসি সদস্য এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে বাঁধ প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নি¤œমানের কাজ দেখিয়ে মোটা অংকের বরাদ্দ উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। উপজেলার ২৭টি পিআইসির মধ্যে অধিকাংশ প্রকল্পেই দায়সারা কাজ করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মৌসুমের শুরুতেই সামান্য বৃষ্টিতে বিভিন্ন বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও ধসে পড়ছে। অনেক প্রকল্পে পুরাতন বাঁধের ওপর সামান্য মাটি ফেলে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, বাঁধের এমন দুর্বল অবস্থার কারণে তারা ফসল নিয়ে চরম শঙ্কায় রয়েছেন। বিগত অর্থবছরেও একই ধরনের অনিয়ম হলেও বড় ধরনের বন্যা না হওয়ায় ক্ষতি হয়নি। তবে চলতি বছরে আগাম বন্যা হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বছর নতুন করে পিআইসি গঠন না করে আগের অর্থবছরের কমিটি দিয়েই কাজ শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মাঠপর্যায়ে কোনো গণসংযোগ, সমাবেশ বা কার্যকর মনিটরিং দেখা যায়নি। সম্প্রতি হাওরপাড়ের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক বাঁধে ড্রেসিং কাজ অস¤পন্ন অবস্থায় রয়েছে। কোথাও কোথাও কাজের তুলনায় বরাদ্দ কয়েকগুণ বেশি দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। জাউয়াবাজার ও চরমহল্লা ইউনিয়নে একাধিক প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মাণ ও অতিরিক্ত বরাদ্দের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেখার হাওরের বিভিন্ন পিআইসিতে কয়েক লাখ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ থাকলেও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এছাড়া একাধিক পিআইসিতে একই ব্যক্তিকে সভাপতি বা সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। কোথাও একই ব্যক্তি একাধিক কমিটিতে দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়মবহির্ভূত বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক প্রকল্পে বরাদ্দের অর্ধেক কাজও হয়নি, কিন্তু পুরো বিল উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সৈদুজ্জামান নাহিদ বলেন, নির্ধারিত সময় পেরোলেও ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ স¤পন্ন হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডিপ্লোমেসি চাকমা জানান, তিনি যোগদানের আগেই মনিটরিং কমিটি গঠিত হয়েছে। তবে তিনি ইতোমধ্যে প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।