স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ডিএস রোড ও ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের টনা ঘটেছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে হক সুপার মার্কেটসহ আশপাশের অন্তত ১২টিরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে প্রাথমিকভাবে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক মুহূর্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
জানাযায়, রবিবার রাত ১১টার দিকে হক সুপার মার্কেটের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রায় ২ ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকান্ডে হক সুপার মার্কেটের ১০টি দোকানসহ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকার আরও বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে।
পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে জুতার দোকান, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর দোকান ছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন দোকান মালিকরা।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ডিএস রোড ও ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের টনা ঘটেছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) রাত ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে হক সুপার মার্কেটসহ আশপাশের অন্তত ১২টিরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে প্রাথমিকভাবে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক মুহূর্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
জানাযায়, রবিবার রাত ১১টার দিকে হক সুপার মার্কেটের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয় জনতা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রায় ২ ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকান্ডে হক সুপার মার্কেটের ১০টি দোকানসহ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকার আরও বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে।
পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে জুতার দোকান, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর দোকান ছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন দোকান মালিকরা।