স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে চুরি হওয়া মহিষের মাংস জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজার থেকে জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে জবাই করা মাংস জব্দ করে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে বিবাদী অজ্ঞাত উল্লেখ করে জামালগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন মহিষের মালিক তারা মিয়া। এর পরিপ্রেক্ষিতে জড়িত সন্দেহে জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের খুরশিদ মিয়া ও তার দোকানের কর্মচারী গোপাল নামের দুইজনকে আটক করে পুলিশ। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক পংকজ ঘোষ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ভাগুয়া গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে তারা মিয়ার তিনটি পালিত মহিষ রয়েছে। মহিষগুলো তার জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। বুধবার সন্ধ্যায় ঘাস খাওয়ার জন্য মহিষগুলোকে জামালগঞ্জ উপজেলার হরিনগর সাকিনস্থ পুটিয়া গ্রামের নদীর দক্ষিণ পারে বেঁধে রেখে যান। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখেন তার একটি মহিষ নেই। অনেক খোঁজাখুজির পর হারিয়ে যাওয়া মহিষের সন্ধান পাননি তিনি। পরে জানতে পারেন জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওরের বাঁধে মহিষের মাথা ও চামড়া পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা মাথা ও চামড়া দেখে মহিষটি নিজের বলে চিহ্নিত করেন তারা মিয়া। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষের মাথা ও চামড়া উদ্ধার করে। একপর্যায়ে সাচনা বাজারস্থ জামাল মিয়ার গোস্তের দোকান ও খুরশিদ মিয়ার রেস্টুরেন্টে এসে ফ্রিজে রাখা মহিষের মাংস জব্দ করা হয়। পরে অভিযুক্ত খুরশিদ মিয়া ও তার দোকানের কর্মচারী গোপালকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তবে জামাল মিয়া পলাতক থাকায় তাকে আটক করা যায়নি।
জামালগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক পংকজ ঘোষ বলেন, অভিযোগ পেয়ে বাদীসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষের মাথা ও চামড়া উদ্ধার করা হয় এবং সাচনা বাজারে এসে সদৃশ্য মাংস জব্দ করার পাশাপাশি অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করা হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে চুরি হওয়া মহিষের মাংস জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজার থেকে জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে জবাই করা মাংস জব্দ করে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে বিবাদী অজ্ঞাত উল্লেখ করে জামালগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন মহিষের মালিক তারা মিয়া। এর পরিপ্রেক্ষিতে জড়িত সন্দেহে জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের খুরশিদ মিয়া ও তার দোকানের কর্মচারী গোপাল নামের দুইজনকে আটক করে পুলিশ। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক পংকজ ঘোষ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ভাগুয়া গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে তারা মিয়ার তিনটি পালিত মহিষ রয়েছে। মহিষগুলো তার জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। বুধবার সন্ধ্যায় ঘাস খাওয়ার জন্য মহিষগুলোকে জামালগঞ্জ উপজেলার হরিনগর সাকিনস্থ পুটিয়া গ্রামের নদীর দক্ষিণ পারে বেঁধে রেখে যান। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখেন তার একটি মহিষ নেই। অনেক খোঁজাখুজির পর হারিয়ে যাওয়া মহিষের সন্ধান পাননি তিনি। পরে জানতে পারেন জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওরের বাঁধে মহিষের মাথা ও চামড়া পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা মাথা ও চামড়া দেখে মহিষটি নিজের বলে চিহ্নিত করেন তারা মিয়া। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষের মাথা ও চামড়া উদ্ধার করে। একপর্যায়ে সাচনা বাজারস্থ জামাল মিয়ার গোস্তের দোকান ও খুরশিদ মিয়ার রেস্টুরেন্টে এসে ফ্রিজে রাখা মহিষের মাংস জব্দ করা হয়। পরে অভিযুক্ত খুরশিদ মিয়া ও তার দোকানের কর্মচারী গোপালকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তবে জামাল মিয়া পলাতক থাকায় তাকে আটক করা যায়নি।
জামালগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক পংকজ ঘোষ বলেন, অভিযোগ পেয়ে বাদীসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষের মাথা ও চামড়া উদ্ধার করা হয় এবং সাচনা বাজারে এসে সদৃশ্য মাংস জব্দ করার পাশাপাশি অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করা হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।