মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় টানা তিন দিনের মুষলধারে বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক শিলাবৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের বোরো ফসল মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ফসলরক্ষা বাঁধগুলোও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
উপজেলার হালির হাওর, পাগনার হাওর ও শনির হাওরের বিভিন্ন অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জেলার জামালগঞ্জ, মধ্যনগর, তাহিরপুর, জগন্নাথপুর ও ধর্মপাশা উপজেলাজুড়ে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ শিলাবৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শিলাবৃষ্টির আঘাতে বোরো ধানের থোড় নষ্ট হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের কালীপুর, সদরকান্দি, কামিনীপুর, মমিনপুর, ইনসানপুর, উলুকান্দি ও যতিন্দ্রপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম সংলগ্ন হালির হাওর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টির পানিতে বিস্তীর্ণ জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ফসল রক্ষা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। নদীর পানি হাওরের চেয়ে বেশি থাকায় স্লুইসগেট খুলে পানি নিষ্কাশনেরও সুযোগ নেই।
ফলে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন না হলে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
হালির হাওরের কৃষক মনির হোসেন বলেন, ভারী বৃষ্টিতে আমার বোরো জমির অধিকাংশই পানির নিচে চলে গেছে। তাছাড়া স্লুইসগেটের কপাট লাগানোর আগেই পানি ঢুকেছে নদী থেকে। স্লুইসগেটের কপাটের দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তির কাজে গাফলতি রয়েছে।
আরেক কৃষক শমসের আলী জানান, হাওরের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত তিন দিনের বৃষ্টিতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হাওরের মাঝখানে থাকা ছাতিধরা বিল থেকে পানি উপচে জমিতে ঢুকে পড়ছে। আমরা পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধান চাই।
জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আক্কাস মুরাদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো ঘুরে দেখেছি। অনেক কৃষকের বোরো ফসল নষ্ট হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন। ভবিষ্যতে এমন দুর্যোগ মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি প্রয়োজন। আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য বিষয়টি অবগত হয়েছেন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন ভবিষ্যতে এধরণের দুর্যোগ মোকাবেলা করা যায় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুশফিকীন নূর জানান, বিষয়টি আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। এটি শুধু জামালগঞ্জ নয়, জেলার অন্যান্য হাওরেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নদীর পানি বেশি থাকায় স্লুইসগেট খুলে পানি নিষ্কাশন করা যাচ্ছে না। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকার কোনো প্রণোদনা দিলে তা যাচাই-বাছাই করে দ্রুত বিতরণ করা হবে।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় টানা তিন দিনের মুষলধারে বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক শিলাবৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের বোরো ফসল মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ফসলরক্ষা বাঁধগুলোও চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
উপজেলার হালির হাওর, পাগনার হাওর ও শনির হাওরের বিভিন্ন অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জেলার জামালগঞ্জ, মধ্যনগর, তাহিরপুর, জগন্নাথপুর ও ধর্মপাশা উপজেলাজুড়ে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ শিলাবৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শিলাবৃষ্টির আঘাতে বোরো ধানের থোড় নষ্ট হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় ধানগাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে।
বুধবার সকালে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের কালীপুর, সদরকান্দি, কামিনীপুর, মমিনপুর, ইনসানপুর, উলুকান্দি ও যতিন্দ্রপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম সংলগ্ন হালির হাওর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টির পানিতে বিস্তীর্ণ জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ফসল রক্ষা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। নদীর পানি হাওরের চেয়ে বেশি থাকায় স্লুইসগেট খুলে পানি নিষ্কাশনেরও সুযোগ নেই।
ফলে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন না হলে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
হালির হাওরের কৃষক মনির হোসেন বলেন, ভারী বৃষ্টিতে আমার বোরো জমির অধিকাংশই পানির নিচে চলে গেছে। তাছাড়া স্লুইসগেটের কপাট লাগানোর আগেই পানি ঢুকেছে নদী থেকে। স্লুইসগেটের কপাটের দায়িত্বে থাকা ব্যাক্তির কাজে গাফলতি রয়েছে।
আরেক কৃষক শমসের আলী জানান, হাওরের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত তিন দিনের বৃষ্টিতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হাওরের মাঝখানে থাকা ছাতিধরা বিল থেকে পানি উপচে জমিতে ঢুকে পড়ছে। আমরা পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধান চাই।
জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আক্কাস মুরাদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো ঘুরে দেখেছি। অনেক কৃষকের বোরো ফসল নষ্ট হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন। ভবিষ্যতে এমন দুর্যোগ মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি প্রয়োজন। আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য বিষয়টি অবগত হয়েছেন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন ভবিষ্যতে এধরণের দুর্যোগ মোকাবেলা করা যায় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুশফিকীন নূর জানান, বিষয়টি আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। এটি শুধু জামালগঞ্জ নয়, জেলার অন্যান্য হাওরেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নদীর পানি বেশি থাকায় স্লুইসগেট খুলে পানি নিষ্কাশন করা যাচ্ছে না। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকার কোনো প্রণোদনা দিলে তা যাচাই-বাছাই করে দ্রুত বিতরণ করা হবে।