আশিস রহমান::
দুর্নীতি ও ঘুষের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি দুর্নীতি করেন, তাহলে তাদের ঠিকানা হবে জেলখানা। এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। রবিবার (১৫ মার্চ) দোয়ারাবাজার উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরূপ রতন সিংহের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সিরাতুল মুস্তাকিম বা সৎ ও ন্যায়ের পথে চলতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তাই প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবর্তন আনতে হলে সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অতীতে যা হয়েছে তা ভুলে গিয়ে নতুনভাবে কাজ শুরু করতে হবে। সরকারি চাকরিতে থেকে কেউ যদি জনগণের অধিকার নষ্ট করে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বিভাগীয় কমিশনার আরও উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে একজন মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম তালুকদারসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।
দুর্নীতি ও ঘুষের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি দুর্নীতি করেন, তাহলে তাদের ঠিকানা হবে জেলখানা। এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। রবিবার (১৫ মার্চ) দোয়ারাবাজার উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরূপ রতন সিংহের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সিরাতুল মুস্তাকিম বা সৎ ও ন্যায়ের পথে চলতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তাই প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবর্তন আনতে হলে সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অতীতে যা হয়েছে তা ভুলে গিয়ে নতুনভাবে কাজ শুরু করতে হবে। সরকারি চাকরিতে থেকে কেউ যদি জনগণের অধিকার নষ্ট করে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বিভাগীয় কমিশনার আরও উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে একজন মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম তালুকদারসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।