মোহাম্মদ নূর::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের জোয়ালভাঙা হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ১১ ও ১২ নং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) অধীনে নির্মিত এই বাঁধে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না রাখায় সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে শত শত একর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে।
রবিবার ভোরে জমিতে গিয়ে কৃষকরা দেখেন, বৃষ্টির পানিতে তাদের ক্ষেত ডুবে গেছে। বাঁধের কারণে পানি বের হওয়ার কোনো পথ না থাকায় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। প্রশাসনের সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে সকাল থেকেই মোহনপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের কয়েকশ কৃষক কোদাল ও দেশীয় সরঞ্জাম নিয়ে মাঠে নামেন। ফসল রক্ষার তাগিদে তারা নিজ উদ্যোগে বাঁধের কয়েকটি স্থানে নালা কেটে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন সেন রায় এবং সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব বখত বাহলুল। কৃষকদের দুর্ভোগ দেখে তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে বাঁধ নির্মাণ করা শুধু নিয়মবহির্ভূত নয়, কৃষকদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। অদূরদর্শী ও পরিকল্পনাহীন প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে আজ হাজারো কৃষকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আমরা অবিলম্বে দায়ী পিআইসি কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি এবং দ্রুত সরকারিভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের সময় প্রাকৃতিক পানি প্রবাহের পথ, নালা ও পাইপ ছাড়াই মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়া হয়েছে। এতে বৃষ্টির পানি আটকে হাওরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাঁধ নির্মাণের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সঠিক নিয়মে মাটি ভরাট ও দুর্মুজ না করায় নির্মাণের কয়েক দিনের মধ্যেই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে সামান্য পাহাড়ি ঢল এলেই বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক মহিম উদ্দিন বলেন, বাঁধ দেওয়া হয়েছিল ফসল রক্ষার জন্য, কিন্তু এই পরিকল্পনাহীন বাঁধই এখন আমাদের ডুবিয়ে মারছে। দ্রুত পানি না সরালে পরিবার নিয়ে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের জোয়ালভাঙা হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ১১ ও ১২ নং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) অধীনে নির্মিত এই বাঁধে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না রাখায় সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে শত শত একর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে।
রবিবার ভোরে জমিতে গিয়ে কৃষকরা দেখেন, বৃষ্টির পানিতে তাদের ক্ষেত ডুবে গেছে। বাঁধের কারণে পানি বের হওয়ার কোনো পথ না থাকায় পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। প্রশাসনের সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে সকাল থেকেই মোহনপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের কয়েকশ কৃষক কোদাল ও দেশীয় সরঞ্জাম নিয়ে মাঠে নামেন। ফসল রক্ষার তাগিদে তারা নিজ উদ্যোগে বাঁধের কয়েকটি স্থানে নালা কেটে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন সেন রায় এবং সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব বখত বাহলুল। কৃষকদের দুর্ভোগ দেখে তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে বাঁধ নির্মাণ করা শুধু নিয়মবহির্ভূত নয়, কৃষকদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। অদূরদর্শী ও পরিকল্পনাহীন প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে আজ হাজারো কৃষকের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আমরা অবিলম্বে দায়ী পিআইসি কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি এবং দ্রুত সরকারিভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের সময় প্রাকৃতিক পানি প্রবাহের পথ, নালা ও পাইপ ছাড়াই মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়া হয়েছে। এতে বৃষ্টির পানি আটকে হাওরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাঁধ নির্মাণের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সঠিক নিয়মে মাটি ভরাট ও দুর্মুজ না করায় নির্মাণের কয়েক দিনের মধ্যেই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে সামান্য পাহাড়ি ঢল এলেই বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভুক্তভোগী কৃষক মহিম উদ্দিন বলেন, বাঁধ দেওয়া হয়েছিল ফসল রক্ষার জন্য, কিন্তু এই পরিকল্পনাহীন বাঁধই এখন আমাদের ডুবিয়ে মারছে। দ্রুত পানি না সরালে পরিবার নিয়ে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।