শহীদনূর আহমেদ::
বোরো মৌসুম ঘনিয়ে আসায় কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাওরাঞ্চলের কৃষকরা। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ৪০০টি ধান কাটার মেশিন বিকল হয়ে পড়ায় সময়মতো ধান কর্তন নিয়ে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, বিগত সময়ে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার মেশিন সরবরাহ করা হয়েছিল। এসব আধুনিক কৃষিযন্ত্র ব্যবহারের ফলে অল্প সময়ে ধান কাটা সম্ভব হওয়ায় হাওরাঞ্চলের কৃষিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে। তবে দুই থেকে তিন মৌসুম ব্যবহারের পর অনেক মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রয়োজনীয় সেবার অভাবে অনেক মেশিনই অচল হয়ে পড়েছে। ফলে আসন্ন বোরো ধান কাটার মৌসুমে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
হাওরপাড়ের কৃষকরা জানান, সময়মতো বিকল মেশিনগুলো সচল করা না গেলে ধান কর্তনে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভর্তুকি মূল্যে জেলার কৃষকদের মধ্যে সহস্রাধিক ধান কাটার মেশিন সরবরাহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৮৭৬টি কম্বাইন হারভেস্টার রয়েছে। বর্তমানে এর মধ্যে সচল রয়েছে ৫৭০টি এবং ৩০৬টি বিভিন্ন কারণে অচল হয়ে গেছে। অচল মেশিনগুলোর মধ্যে ১৩০টি মেরামতযোগ্য এবং ১৭৬টি স¤পূর্ণ মেরামতের অযোগ্য বলে জানা গেছে। অন্যদিকে জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ২১৯টি রিপার মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে সচল রয়েছে ১৪৬টি, মেরামতযোগ্য ৪৫টি এবং ২৮টি মেশিন সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, যেসব মেশিন মেরামতযোগ্য সেগুলো দ্রুত সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বাস্তবে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এবার ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন। আমরা আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে।
তিনি আরও বলেন, ধান কাটার মৌসুম ঘনিয়ে আসায় আমরা কৃষি যন্ত্রপাতির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। অনেক পুরোনো যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে। যেসব মেশিন মেরামতযোগ্য, সেগুলো দ্রুত সচল করার চেষ্টা চলছে। যন্ত্রপাতি বিকল থাকায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে, তবে এর প্রভাব কতটা হবে তা সময়ই বলে দেবে।
বোরো মৌসুম ঘনিয়ে আসায় কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাওরাঞ্চলের কৃষকরা। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ৪০০টি ধান কাটার মেশিন বিকল হয়ে পড়ায় সময়মতো ধান কর্তন নিয়ে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, বিগত সময়ে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার মেশিন সরবরাহ করা হয়েছিল। এসব আধুনিক কৃষিযন্ত্র ব্যবহারের ফলে অল্প সময়ে ধান কাটা সম্ভব হওয়ায় হাওরাঞ্চলের কৃষিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে। তবে দুই থেকে তিন মৌসুম ব্যবহারের পর অনেক মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রয়োজনীয় সেবার অভাবে অনেক মেশিনই অচল হয়ে পড়েছে। ফলে আসন্ন বোরো ধান কাটার মৌসুমে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
হাওরপাড়ের কৃষকরা জানান, সময়মতো বিকল মেশিনগুলো সচল করা না গেলে ধান কর্তনে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভর্তুকি মূল্যে জেলার কৃষকদের মধ্যে সহস্রাধিক ধান কাটার মেশিন সরবরাহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৮৭৬টি কম্বাইন হারভেস্টার রয়েছে। বর্তমানে এর মধ্যে সচল রয়েছে ৫৭০টি এবং ৩০৬টি বিভিন্ন কারণে অচল হয়ে গেছে। অচল মেশিনগুলোর মধ্যে ১৩০টি মেরামতযোগ্য এবং ১৭৬টি স¤পূর্ণ মেরামতের অযোগ্য বলে জানা গেছে। অন্যদিকে জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ২১৯টি রিপার মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে সচল রয়েছে ১৪৬টি, মেরামতযোগ্য ৪৫টি এবং ২৮টি মেশিন সম্পূর্ণ অচল হয়ে গেছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, যেসব মেশিন মেরামতযোগ্য সেগুলো দ্রুত সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বাস্তবে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এবার ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন। আমরা আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে।
তিনি আরও বলেন, ধান কাটার মৌসুম ঘনিয়ে আসায় আমরা কৃষি যন্ত্রপাতির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। অনেক পুরোনো যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে। যেসব মেশিন মেরামতযোগ্য, সেগুলো দ্রুত সচল করার চেষ্টা চলছে। যন্ত্রপাতি বিকল থাকায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে, তবে এর প্রভাব কতটা হবে তা সময়ই বলে দেবে।