স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দারুল উলূম হাফিজিয়া আরাবিয়া সাচনা বাজার মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) আছরের নামাজের পর সাচনা বাজার মাদ্রাসার হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক মাওলানা আব্দুল কাদির। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি মো. মফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক, সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুক মিয়া, সাচনা বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদ আল আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম আহমদ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদির, শিক্ষক মাওলানা আবু তাহের, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোবারক আলী তালুকদার, জেলা উলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুর হোসেন, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আলী আকবরসহ বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাচনা বাজারের ব্যবসায়ীরা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম শামীম বলেন, “এই মাদ্রাসা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি, ঐতিহ্য ও সমাজের নৈতিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের চরিত্র গঠনের সুযোগ তৈরি হয়। তাই দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদ্রাসার উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমার বাবা হাজী সাদেক আলী, মাওলানা আব্দুল হান্নান, হাজী শামছুল হক ও মো. নুরালী তালুকদার। বর্তমানে তাদের মধ্যে তিনজন ইন্তেকাল করেছেন। জীবিত আছেন কেবল হাজী শামছুল হক। আমরা চাই, তিনি আমৃত্যু বোর্ড পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।” তিনি জানান, মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বোর্ডের নিয়মনীতি মেনে বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি পরিচালনা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কমিটির সদস্যরা প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা মাদ্রাসার তহবিলে প্রদান করবেন, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসাটি আমাদের সবার। তাই একে ঘিরে ঐক্য ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল ও বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি দ্বীনি শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে আরও সমৃদ্ধ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের অংশগ্রহণে ইফতার করা হয়।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দারুল উলূম হাফিজিয়া আরাবিয়া সাচনা বাজার মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ মার্চ) আছরের নামাজের পর সাচনা বাজার মাদ্রাসার হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক মাওলানা আব্দুল কাদির। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি মো. মফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক, সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুক মিয়া, সাচনা বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদ আল আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম আহমদ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদির, শিক্ষক মাওলানা আবু তাহের, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোবারক আলী তালুকদার, জেলা উলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুর হোসেন, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আলী আকবরসহ বিভিন্ন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাচনা বাজারের ব্যবসায়ীরা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম শামীম বলেন, “এই মাদ্রাসা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি, ঐতিহ্য ও সমাজের নৈতিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের চরিত্র গঠনের সুযোগ তৈরি হয়। তাই দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদ্রাসার উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আমার বাবা হাজী সাদেক আলী, মাওলানা আব্দুল হান্নান, হাজী শামছুল হক ও মো. নুরালী তালুকদার। বর্তমানে তাদের মধ্যে তিনজন ইন্তেকাল করেছেন। জীবিত আছেন কেবল হাজী শামছুল হক। আমরা চাই, তিনি আমৃত্যু বোর্ড পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।” তিনি জানান, মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বোর্ডের নিয়মনীতি মেনে বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি পরিচালনা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কমিটির সদস্যরা প্রতি বছর নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা মাদ্রাসার তহবিলে প্রদান করবেন, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসাটি আমাদের সবার। তাই একে ঘিরে ঐক্য ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সমাজের সচেতন মহল ও বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি দ্বীনি শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে আরও সমৃদ্ধ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে উপস্থিত অতিথি ও মুসল্লিদের অংশগ্রহণে ইফতার করা হয়।