স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রীর কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের পলক গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কিশোরের নাম আদিল (১৫)। সে ওই গ্রামের মৃত আশিক নূরের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আদিল স্থানীয়ভাবে রাজমিস্ত্রীর জোগালির কাজ করত। বৃহস্পতিবার সকালে কর্মস্থলে একটি বাড়ির উঠানে বেঁকে যাওয়া রড সোজা করার সময় সে রডটি উপরের দিকে তোলে। এ সময় অসাবধানতাবশত রডটি ওপর দিয়ে যাওয়া ৩৩ কেভি বিদ্যুতের তারে স্পর্শ করলে সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় তার সঙ্গে কাজে থাকা আরেক যুবকও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. আতাউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত আদিল দশম শ্রেনীর একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের অভাব অনটন ঘোচাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রীর কাজ করে পরিবারের হাল ধরেছিলেন।
জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বন্দে আলী জানান, আমি এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রীর কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের পলক গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কিশোরের নাম আদিল (১৫)। সে ওই গ্রামের মৃত আশিক নূরের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আদিল স্থানীয়ভাবে রাজমিস্ত্রীর জোগালির কাজ করত। বৃহস্পতিবার সকালে কর্মস্থলে একটি বাড়ির উঠানে বেঁকে যাওয়া রড সোজা করার সময় সে রডটি উপরের দিকে তোলে। এ সময় অসাবধানতাবশত রডটি ওপর দিয়ে যাওয়া ৩৩ কেভি বিদ্যুতের তারে স্পর্শ করলে সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় তার সঙ্গে কাজে থাকা আরেক যুবকও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন থাকলেও আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. আতাউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত আদিল দশম শ্রেনীর একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের অভাব অনটন ঘোচাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রীর কাজ করে পরিবারের হাল ধরেছিলেন।
জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বন্দে আলী জানান, আমি এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।