স্টাফ রিপোর্টার ::
দোয়ারাবাজার উপজেলার সোনাপুর গ্রামে সুরমা নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি ড্রেজার মেশিন ও বালু ভর্তি বাল্কহেডসহ তিনজনকে আটক করে নৌ-পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার দুপুরে সোনাপুর গ্রামের সুরমা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের নাম ভাঙিয়ে জেলা প্রশাসনের অনুমতির কাগজ দেখিয়ে একটি চক্র নির্ধারিত স্থানের বাইরে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করছিল। এতে করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন ঠেকানোর সরকারি প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় গ্রামগুলো চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ড্রেজার চালকদের ভাষ্যমতে, আমবাড়ি বাজার এলাকার নুর নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ বালু উত্তোলনের নেপথ্যে রয়েছেন, যিনি ভুয়া কাগজ দেখিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ বলেন, এই অবৈধ বালুখেকো সিন্ডিকেটের তা-বে নূরপুর ও সোনাপুর গ্রাম এখন নদী ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার পথে। এর আগেও একাধিকবার প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে মামলাসহ জেল জরিমানা করেছে। কিন্তু দেখা যায় কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আবারও তারা পুনরায় নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করা শুরু করে। ছাতক নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে; বর্তমানে বিষয়টি গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দোয়ারাবাজার উপজেলার সোনাপুর গ্রামে সুরমা নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি ড্রেজার মেশিন ও বালু ভর্তি বাল্কহেডসহ তিনজনকে আটক করে নৌ-পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার দুপুরে সোনাপুর গ্রামের সুরমা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের নাম ভাঙিয়ে জেলা প্রশাসনের অনুমতির কাগজ দেখিয়ে একটি চক্র নির্ধারিত স্থানের বাইরে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করছিল। এতে করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন ঠেকানোর সরকারি প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় গ্রামগুলো চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ড্রেজার চালকদের ভাষ্যমতে, আমবাড়ি বাজার এলাকার নুর নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ বালু উত্তোলনের নেপথ্যে রয়েছেন, যিনি ভুয়া কাগজ দেখিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ বলেন, এই অবৈধ বালুখেকো সিন্ডিকেটের তা-বে নূরপুর ও সোনাপুর গ্রাম এখন নদী ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার পথে। এর আগেও একাধিকবার প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে মামলাসহ জেল জরিমানা করেছে। কিন্তু দেখা যায় কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আবারও তারা পুনরায় নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করা শুরু করে। ছাতক নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে; বর্তমানে বিষয়টি গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।