স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৬ষ্ঠ পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ২০২৫ সম্মাননা ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, জেলা কার্যালয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন। সভাপতিত্ব করেন মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৬ষ্ঠ পর্যায়ের সহকারী প্রকল্প পরিচালক রবীন আচার্য্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, শিক্ষাবিদ যোগেশ্বর দাশ, শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি অলক দত্ত, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ স¤পাদক প্রসেনজিৎ নন্দী এবং সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় দুর্গাবাড়ি পরিচালনা কমিটির সাধারণ স¤পাদক ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরোহিত সেবাইত প্রকল্পের জেলার টিওটি সুবিমল চক্রবর্তী চন্দন।
সভায় বক্তারা বলেন, জেলার প্রতিটি শিশুর লেখাপড়া নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষায় অবহেলিত সুনামগঞ্জে শিক্ষার হার বাড়াতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তবে আগের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষার হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা বলেন, আগে গীতা পাঠের জন্য উপযুক্ত মানুষ পাওয়া যেতো না, এখন অনেকেই গীতা পাঠে আগ্রহী ও দক্ষ হয়ে উঠছে। যা গণশিক্ষা কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব। প্রতিটি শিশুকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।
আলোচনা শেষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ক¤িপউটার অপারেটর যীশু কুমার দাস, ফিল্ড সুপারভাইজার নিউটন মহান্ত, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।