স্টাফ রিপোর্টার ::
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় নিজস্ব রেকর্ডীয় ভূমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীমহলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ফতেহপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত দুলভারচর বাজার এলাকায়।
অভিযোগ থেকে জানাযায়, জেএল নং- ৪৪, মৌজা- দুলভারচর, খতিয়ান নং-৫১, আরএস দাগ নং-৩০৯, ৩৩৬ ও ৩৩৭, মোট ৩২ শতক ভূমির রেকর্ডিয় মালিক আবু নাসার। তিনি মারা যাওয়ায় বর্তমানে তার ছেলে আসিফ বিল্লাহ গং ওই ভূমির মালিক। মূল সড়কের পাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গায় স্থাপনা নির্মাণে দীর্ঘদিন ধরে বাধা দিয়ে আসছে একটি প্রভাবশালী চক্র।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, একই গ্রামের সামছুল হক, নুরুল ইসলাম, মালে গণি, সোরহাব উদ্দিন উজ্জ্বল, মশিহুর রহমান, নিকসন মিয়া, আফজাল হোসেন, সবুজ মিয়া, সেলিম আহমদ ও শিরিন মিয়া ভূমি মালিকের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। অন্যথায় নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
বাজারের ব্যবসায়ী শাহজাহান শাহ বলেন, আসিফ বিল্লাহ গংদের রেকর্ডিয় জমিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হচ্ছে না। একটি চক্র তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা হয়েছে। বিশ্বম্ভরপুর থানায় তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তারপরও তারা সক্রিয় রয়েছে।
আরেক ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, চক্রটি বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে চাঁদা আদায় করছে। আমার দোকান থেকে মালামাল নিয়ে টাকা দেয়নি। উল্টো আরও মালামাল নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে।
দুলভারচর বাজার কমিটির সেক্রেটারি ও পল্লী চিকিৎসক শাহ শফিক মিয়া বলেন, চক্রটির ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারছে না। বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।
ভূমির মালিক আসিফ বিল্লাহ বলেন, আমার রেকর্ডিয় জমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তারা আমার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। আমি চাঁদা দেইনি এবং আদালতে মামলা করেছি। পুলিশি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলা করার পর থেকে আমার পরিবারের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে।
একই গ্রামের অভিযুক্ত ব্যক্তি নুরুল ইসলাম বলেন, আমরার বিরুদ্ধে চাদাবাজির মামলা দিয়েছে আসিফ বিল্লাহ গংরা। দারোগাও তদন্ত করে আমাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছে। ঘর নির্মাণ করতে আমাদের কোনো বাধা নেই।