স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হোস্টেলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অপসারণ এবং সেখানে কনডম পাওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার দিনব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অফিসকক্ষে রেখেই তালা লাগিয়ে দেন। পরে তালা খুলে দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা দরজার সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী সেনাবাহিনীর একটি দল সাময়িকভাবে ছাত্রী হোস্টেল ভবনে অবস্থান নেয়। সে সময় হোস্টেলে কোনো ছাত্রী ছিলেন না। পরবর্তীতে ভবনের বাথরুম পরিষ্কার করতে গিয়ে কিছু কনডমের প্যাকেট পাওয়া যায় বলে কলেজের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনৈতিক কার্যক্রমের ইঙ্গিত দিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে জামালগঞ্জ রিভার ভিউ পার্ক এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে এসে অবস্থান কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বিকাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান করে প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা ছাত্রী হোস্টেলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি কলেজ প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, ছাত্রী হোস্টেলের ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আগে থেকেই নানা অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে পূর্বেও প্রতিবাদ কর্মসূচি হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুজিত রঞ্জন দে বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে কলেজের হল সুপার মুজিবুর রহমান ও ইতিহাস বিভাগের প্রধান পঙ্কজ বর্মণকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাপস শীল বলেন, দায়িত্বশীলরা বিষয়টি আগেই স্বাভাবিক করতে পারলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতো না। উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হোস্টেলের দায়িত্ব থেকে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী হোস্টেলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হোস্টেলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অপসারণ এবং সেখানে কনডম পাওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার দিনব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অফিসকক্ষে রেখেই তালা লাগিয়ে দেন। পরে তালা খুলে দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা দরজার সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী সেনাবাহিনীর একটি দল সাময়িকভাবে ছাত্রী হোস্টেল ভবনে অবস্থান নেয়। সে সময় হোস্টেলে কোনো ছাত্রী ছিলেন না। পরবর্তীতে ভবনের বাথরুম পরিষ্কার করতে গিয়ে কিছু কনডমের প্যাকেট পাওয়া যায় বলে কলেজের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনৈতিক কার্যক্রমের ইঙ্গিত দিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে জামালগঞ্জ রিভার ভিউ পার্ক এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে এসে অবস্থান কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বিকাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান করে প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা ছাত্রী হোস্টেলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি কলেজ প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা আরও জানান, ছাত্রী হোস্টেলের ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আগে থেকেই নানা অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে পূর্বেও প্রতিবাদ কর্মসূচি হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুজিত রঞ্জন দে বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে কলেজের হল সুপার মুজিবুর রহমান ও ইতিহাস বিভাগের প্রধান পঙ্কজ বর্মণকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তাপস শীল বলেন, দায়িত্বশীলরা বিষয়টি আগেই স্বাভাবিক করতে পারলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতো না। উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হোস্টেলের দায়িত্ব থেকে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।