স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ঘাট গ্রামে সুনামগঞ্জ-সাচনা সড়কের পাশে অবস্থিত একটি সংখ্যালঘু পরিবারের ২৮ শতক এনিমি (শত্রু) স¤পত্তি জবরদখলের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার সকালে ওয়ারিশ সূত্রে মালিকানা দাবি করে একই গ্রামের ভানু দাস ও জগন্নাথপুর গ্রামের আব্দুর রহীমের উদ্যোগে জোরপূর্বক ওই জমিতে মাটি ভরাট করে দখল নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় অপর ওয়ারিশান সুধাংশু দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাস বাধা দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতেই দখলচেষ্টাকারী আব্দুর রহীম ভূমির রেকর্ডীয় মালিক সুধাংশু দাস (৪২)কে কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন। আহত সুধাংশু দাস বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুধাংশু দাস জানান, বড়ঘাট মৌজার জে এল নম্বর-২৩, খতিয়ান নম্বর-১৫১ ও দাগ নম্বর-১৮৬ অনুযায়ী তাঁর মোট ২৮ শতক জমি রয়েছে। তবে অপর ওয়ারিশান ভানু দাসের পিতা সুখময় দাস তার অংশের দেড় কেয়ার জমি প্রায় ২০ বছর আগে খোকা দাসের কাছে বিক্রি করেন। এরপর ভানু দাস অবৈধভাবে ওই জমির বিভিন্ন অংশ তিন দফায় আব্দুর রহীমের কাছে বিক্রি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সুধাংশু দাস আরও বলেন, আমার দখলীয় ২৮ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বাধা দেওয়ায় আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে আমরা জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
অভিযোগের বিষয়ে ভানু দাস বলেন, এই এনিমি স¤পত্তি আমরা দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে ভোগদখলে রেখেছি এবং নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করেছি। আমার পিতার অংশের দেড় কেয়ার জমি আব্দুর রহীমের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।