স্টাফ রিপোর্টার ::
শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ইউপি সদস্য জুবায়ের আহমদ, তার ভাই ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহিন আহমদ এবং আরও দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। তারা গত তিন দিন ধরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বীরগাঁও গ্রামের কৃষ্ণতলা মাঠে মাহিন নামের এক কিশোরকে মারধর করেন স্থানীয় পশ্চিমপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী নাহিদ আহমদ ও তার বাবা সইফুর রহমান। এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় মাহিনের স্বজনরা নাহিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিষয়টি জানাতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাহিদ আহমদ ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়ের আহমদ, তার ভাই ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহিন আহমদ, মুদিদোকানি তাহসিন এবং দিহান নামের এক কিশোরসহ চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছুরিকাঘাতে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যাওয়া ও গুরুতর আঘাতের কারণে যুবদল নেতা জাহিন আহমদসহ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
আহতদের স্বজন দুলাল আহমদ জানান, যুবদল নেতা জাহিন আহমদসহ তিনজনের শরীরে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তবে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখনো তারা শঙ্কামুক্ত নন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে বিদেশি একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী নাহিদ আহমদসহ চারজনকে আসামি করে শান্তিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওলিউল্লাহ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।