স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে (৭) যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় মোহনপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, মৃত জায়ফর আলী (ওরফে জাফর) এর ছেলে জিয়াউর রহমান (৪০) তার ঘরে নিয়ে শিশুটিকে যৌন হয়রানি করে। পরে স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার ও অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই অভিজিৎ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিকটিমকে উদ্ধার করেন এবং জিয়াউর রহমানকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। ভিকটিমের চাচা জানান, আমার ভাতিজা দৌড়ে এসে জানায়, জিয়াউর আমার ভাতিজিকে ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করেছে। আমরা গ্রামের লোকজন নিয়ে দরজায় ডাকাডাকি করতে থাকি। পরে দরজা ভেঙে শিশুকে উদ্ধার করি। দেখি তার মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। আমরা অভিযুক্তের শাস্তি দাবি করছি। তিনি বলেন, শিশুটির বাবা বিদেশে থাকেন। তাই আমি বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করবো। সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ বলেন, আট বছরের শিশুটিকে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে নিয়েছি। এছাড়া শিশুটিকে আমি নিজে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছি এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এসেছি। শিশুটির চাচা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। ভিকটিম চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এ বিষয়ে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে (৭) যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় মোহনপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, মৃত জায়ফর আলী (ওরফে জাফর) এর ছেলে জিয়াউর রহমান (৪০) তার ঘরে নিয়ে শিশুটিকে যৌন হয়রানি করে। পরে স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার ও অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই অভিজিৎ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিকটিমকে উদ্ধার করেন এবং জিয়াউর রহমানকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। ভিকটিমের চাচা জানান, আমার ভাতিজা দৌড়ে এসে জানায়, জিয়াউর আমার ভাতিজিকে ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করেছে। আমরা গ্রামের লোকজন নিয়ে দরজায় ডাকাডাকি করতে থাকি। পরে দরজা ভেঙে শিশুকে উদ্ধার করি। দেখি তার মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল। আমরা অভিযুক্তের শাস্তি দাবি করছি। তিনি বলেন, শিশুটির বাবা বিদেশে থাকেন। তাই আমি বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করবো। সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ বলেন, আট বছরের শিশুটিকে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে নিয়েছি। এছাড়া শিশুটিকে আমি নিজে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছি এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এসেছি। শিশুটির চাচা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। ভিকটিম চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এ বিষয়ে আমরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।