জালাল উদ্দিন নাসিম ::
বোরো ধানের আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন সুনামগঞ্জের কৃষকরা। হাওরের পানি ধীরে ধীরে নেমে যাওয়ায় জেলার প্রায় সব উপজেলায় পুরোদমে চলছে বোরো ধানের চারা রোপণের কর্মযজ্ঞ।
ইতোমধ্যে জেলার ১ লাখ ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ, তাহিরপুর, মধ্যনগর, ধর্মপাশা, শাল্লা, জামালগঞ্জসহ প্রায় সব উপজেলার হাওর এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষক ও শ্রমিকরা কাদাপানিতে নেমে চারা রোপণের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাওরের পানি নেমে যাওয়ার পর বোরো চাষাবাদের প্রস্তুতি হিসেবে বীজতলা তৈরি করা হয়। সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বোরো আবাদ শুরু হয়। জমির মাটি পরীক্ষা করে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি ও জিপসামসহ প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করা হচ্ছে। কৃষকরা ব্রি-২৮, ব্রি-২৯, ব্রি-৮৯, ব্রি-৯২ ও বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করছেন। এপ্রিল-মে মাসে ধানের শীষ বের হয়ে দানা পুষ্ট হয়। শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে কৃষকদের কাদাপানিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হচ্ছে। এতে পরিশ্রম যেমন বেশি, তেমনি জীবিকার তাগিদে থেমে থাকার সুযোগ নেই।
লালপুর গ্রামের খরচার হাওরের কৃষক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, আমি দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরিতে ও এক বেলা খাবারের বিনিময়ে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি। তীব্র শীতের মধ্যেও পানিতে কাদা মাড়িয়ে কাজ করতে হয়। আমরা গরিব মানুষ, বেশি কাজ করেই কোনোমতে সংসার চালাই। তিনি আরও বলেন, ভালো ফলন ও ন্যায্য দাম পেলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার প্রধান মৌসুম বোরো। এ মৌসুমে বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিকরা এসে রোপণ কাজে অংশ নিচ্ছেন। তারা দৈনিক ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন। এতে হাওরাঞ্চলে সাময়িক হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
বোরো ধানের আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন সুনামগঞ্জের কৃষকরা। হাওরের পানি ধীরে ধীরে নেমে যাওয়ায় জেলার প্রায় সব উপজেলায় পুরোদমে চলছে বোরো ধানের চারা রোপণের কর্মযজ্ঞ।
ইতোমধ্যে জেলার ১ লাখ ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ, তাহিরপুর, মধ্যনগর, ধর্মপাশা, শাল্লা, জামালগঞ্জসহ প্রায় সব উপজেলার হাওর এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষক ও শ্রমিকরা কাদাপানিতে নেমে চারা রোপণের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাওরের পানি নেমে যাওয়ার পর বোরো চাষাবাদের প্রস্তুতি হিসেবে বীজতলা তৈরি করা হয়। সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বোরো আবাদ শুরু হয়। জমির মাটি পরীক্ষা করে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি ও জিপসামসহ প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করা হচ্ছে। কৃষকরা ব্রি-২৮, ব্রি-২৯, ব্রি-৮৯, ব্রি-৯২ ও বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করছেন। এপ্রিল-মে মাসে ধানের শীষ বের হয়ে দানা পুষ্ট হয়। শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে কৃষকদের কাদাপানিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হচ্ছে। এতে পরিশ্রম যেমন বেশি, তেমনি জীবিকার তাগিদে থেমে থাকার সুযোগ নেই।
লালপুর গ্রামের খরচার হাওরের কৃষক ইব্রাহিম মিয়া বলেন, আমি দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরিতে ও এক বেলা খাবারের বিনিময়ে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি। তীব্র শীতের মধ্যেও পানিতে কাদা মাড়িয়ে কাজ করতে হয়। আমরা গরিব মানুষ, বেশি কাজ করেই কোনোমতে সংসার চালাই। তিনি আরও বলেন, ভালো ফলন ও ন্যায্য দাম পেলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার প্রধান মৌসুম বোরো। এ মৌসুমে বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিকরা এসে রোপণ কাজে অংশ নিচ্ছেন। তারা দৈনিক ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা মজুরিতে কাজ করছেন। এতে হাওরাঞ্চলে সাময়িক হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।