জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ::
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ছাতক সিমেন্ট কো¤পানির বিদ্যমান ওয়েট প্রসেস পদ্ধতি থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ছাতক সিমেন্ট কো¤পানি লিমিটেড পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে শিল্প উপদেষ্টা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের যে পথ দেখিয়েছে, সেই পথ অনুসরণ করেই আগামীর নির্বাচিত সরকার দেশের শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা এবং ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রহমান। এ সময় বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান বলেন, দ্রুতই এ মিলের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। বিসিআইসি সে লক্ষ্যে কাজ করছে।
এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা ছাতক উপজেলায় সুরমা নদীর তীরে ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাতক সিমেন্ট কারখানা। প্রতিষ্ঠার সময় নাম ছিল ‘আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি’। এটি ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় কারখানাটি মালিক ছেড়ে যান। ১৯৬৬ সালে কারখানাটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসে। পরে ১৯৮২ সালে এটির নিয়ন্ত্রণ নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।
জানা যায়, ২০২০ সালে ভারত সরকার ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে চুনাপাথর সরবরাহ করা কেএলএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। চুনাপাথর না পেয়ে ২০২১ সালের মে মাসে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত পুরোনো ও নতুন উভয় কারখানায় উৎপাদন বন্ধ আছে। তবে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরকরণ’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ছাতক সিমেন্ট কো¤পানির বিদ্যমান ওয়েট প্রসেস পদ্ধতি থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ছাতক সিমেন্ট কো¤পানি লিমিটেড পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে শিল্প উপদেষ্টা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের যে পথ দেখিয়েছে, সেই পথ অনুসরণ করেই আগামীর নির্বাচিত সরকার দেশের শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা এবং ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রহমান। এ সময় বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান বলেন, দ্রুতই এ মিলের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। বিসিআইসি সে লক্ষ্যে কাজ করছে।
এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা ছাতক উপজেলায় সুরমা নদীর তীরে ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাতক সিমেন্ট কারখানা। প্রতিষ্ঠার সময় নাম ছিল ‘আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি’। এটি ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় কারখানাটি মালিক ছেড়ে যান। ১৯৬৬ সালে কারখানাটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসে। পরে ১৯৮২ সালে এটির নিয়ন্ত্রণ নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।
জানা যায়, ২০২০ সালে ভারত সরকার ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে চুনাপাথর সরবরাহ করা কেএলএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। চুনাপাথর না পেয়ে ২০২১ সালের মে মাসে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত পুরোনো ও নতুন উভয় কারখানায় উৎপাদন বন্ধ আছে। তবে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরকরণ’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।