বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি ::
বিশ্বম্ভরপুরে একটি আখ ক্ষেতে অগ্নিকা-ের ঘটনায় প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মৌয়াকুড়া গ্রামে। ক্ষতিগ্রস্ত আখচাষী মৃত হিরন মিয়ার ছেলে আলীবুল্লাহর ফসলি জমিতে এ অগ্নিকা- ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ফারুক মিয়া জানান, একই সময়ে জমির তিনটি স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এতে আগুনের উৎস নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আলীবুল্লাহ বলেন, প্রতিহিংসাবশত কেউ আমার আখক্ষেতে আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে। তবে কারও সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই। প্রাথমিকভাবে কাউকে সন্দেহও করতে পারছি না। মুজিব বাজার এলাকার বাসিন্দা মাইনুদ্দিন বলেন, কেউ আগুন না লাগালে এমনভাবে পুরো আখক্ষেত পুড়ে যাওয়ার কথা নয়। স্থানীয় কৃষক সাইদুল মিয়া জানান, আগুনে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে গ্রামবাসী ও জমির মালিক দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী আখচাষী রুবেল মিয়ার প্রায় ৩০ শতক জমির আখও আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আরও বলেন, আমার জমি রাস্তা থেকে অনেক দূরে এবং কারও সঙ্গে আমার কোনো পারিবারিক বিরোধ নেই। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা এবং তারা অগ্নিকা-ের সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্বম্ভরপুরে একটি আখ ক্ষেতে অগ্নিকা-ের ঘটনায় প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মৌয়াকুড়া গ্রামে। ক্ষতিগ্রস্ত আখচাষী মৃত হিরন মিয়ার ছেলে আলীবুল্লাহর ফসলি জমিতে এ অগ্নিকা- ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ফারুক মিয়া জানান, একই সময়ে জমির তিনটি স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এতে আগুনের উৎস নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আলীবুল্লাহ বলেন, প্রতিহিংসাবশত কেউ আমার আখক্ষেতে আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে। তবে কারও সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই। প্রাথমিকভাবে কাউকে সন্দেহও করতে পারছি না। মুজিব বাজার এলাকার বাসিন্দা মাইনুদ্দিন বলেন, কেউ আগুন না লাগালে এমনভাবে পুরো আখক্ষেত পুড়ে যাওয়ার কথা নয়। স্থানীয় কৃষক সাইদুল মিয়া জানান, আগুনে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে গ্রামবাসী ও জমির মালিক দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী আখচাষী রুবেল মিয়ার প্রায় ৩০ শতক জমির আখও আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আরও বলেন, আমার জমি রাস্তা থেকে অনেক দূরে এবং কারও সঙ্গে আমার কোনো পারিবারিক বিরোধ নেই। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা এবং তারা অগ্নিকা-ের সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।