স্টাফ রিপোর্টার ::
তাহিরপুর উপজেলায় এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গত চারদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এলপিজি সিলিন্ডার না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গ্যাসের অভাবে অনেকের ঘরে রান্নাবান্না কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গৃহিণীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে কাঠ ও লাকড়ি জ্বালিয়ে রান্না করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৪ থেকে ৫ দিন ধরে তারা ডিলারদের কাছ থেকে এলপিজি সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। সরবরাহ বন্ধ থাকায় খুচরা বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। তাহিরপুর বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার নিতে আসা একাধিক ভোক্তা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করে আসছেন। হঠাৎ করে গ্যাস না পাওয়ায় এখন ঘরে রান্না করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অপর একজন বলেন, গ্যাসের চুলা বন্ধ করে এখন বাধ্য হয়ে লাকড়ি জ্বালিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। এলপিজি সংকটের পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ক্রমাগত বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। সচেতন মহল দ্রুত এই সংকট নিরসনের পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তা না হলে ভবিষ্যতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, এলপিজি গ্যাস সংকটের বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তাহিরপুর উপজেলায় এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গত চারদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এলপিজি সিলিন্ডার না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গ্যাসের অভাবে অনেকের ঘরে রান্নাবান্না কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গৃহিণীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে কাঠ ও লাকড়ি জ্বালিয়ে রান্না করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৪ থেকে ৫ দিন ধরে তারা ডিলারদের কাছ থেকে এলপিজি সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। সরবরাহ বন্ধ থাকায় খুচরা বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। তাহিরপুর বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার নিতে আসা একাধিক ভোক্তা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করে আসছেন। হঠাৎ করে গ্যাস না পাওয়ায় এখন ঘরে রান্না করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অপর একজন বলেন, গ্যাসের চুলা বন্ধ করে এখন বাধ্য হয়ে লাকড়ি জ্বালিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। এলপিজি সংকটের পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ক্রমাগত বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। সচেতন মহল দ্রুত এই সংকট নিরসনের পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তা না হলে ভবিষ্যতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, এলপিজি গ্যাস সংকটের বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।