জামালগঞ্জ প্রতিনিধি ::
জামালগঞ্জে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার দিনব্যাপী হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ হালি, মহালিয়া ও শনির হাওরের ২৭টি পিআইসি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। যেগুলোতে এখনো কাজ শুরুর লক্ষণ তারা দেখতে পাননি বলে জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ জানান, কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর বাঁধের কাজ শুরু হলেও ১৯ দিন পেরিয়ে গেছে। হালি, শনি ও মহালিয়া হাওরের ২৭ পিআইসির মধ্যে এখনো শুরু হয়নি কোন কাজ। গত ১৫ ডিসেম্বর হালির হাওরের ২০ নম্বর পিআইসির কাজ উদ্বোধন করা হলেও এরপর থেকে কোন কাজ করা হয়নি। এছাড়াও বাকি ২৬টি পিআইসিতেও এখনো কোন কাজ শুরুর লক্ষণ দেখা যায়নি। এমনকি কোনো প্রকল্পেই সাইনবোর্ড নেই। উল্লেখ্য, জামালগঞ্জ উপজেলায় এ বছর হালি, পাগনা, মিনি পাগনা, শনি, মহালিয়া ও জলভাঙা হাওরে ৪১টি পিআইসি’র বিপরীতে মোট বরাদ্দ হয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য মো. আব্দুর রব বলেন, আমরা দিনব্যাপী তিনটি হাওরে ২৭টি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে কোনো পিআইসির লোক পাইনি। কাজ শুরুর ১৯ দিন অতিবাহিত হলেও তিনটি হাওরের ২৭ পিআইসিতে কোন কাজ করতে দেখা যায়নি। এমনকি অনেক প্রকল্পে অনেকাংশে মাটি অক্ষত থাকলেও অপ্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে করে সরকারের অতিরিক্ত অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বিন বারী বলেন, ফসলরক্ষা বেড়িবাঁধের কাজ হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে পরিদর্শন করেছি। পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিগত বছরের তুলনায় অনেক বাঁধ প্রায় অক্ষত থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ এ বছর বেশি। বিষয়টি নিয়ে জনমনে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। পাউবো’র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুতর সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।
পাউবো’র উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জনি বলেন, হালি, শনি, মহালিয়ায় কাজ শুরু না হলেও পাগনার হাওরের ৫টি পিআইসির কাজ শুরু হয়েছে। ২৮ শে ডিসেম্বর ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। অনেক পিআইসি গাড়ির সাথে চুক্তি করেছেন, আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে অধিকাংশ পিআইসির কাজ শুরু হবে। বাঁধের পাশ থেকে প্রতি বছর মাটি কাটার কারণে নিকটবর্তী স্থানে মাটি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই দূর থেকে মাটি সংগ্রহ করার কারণে বরাদ্দ কিছুটা বেড়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ২৪-২৫ অর্থ বছরের চতুর্থ কিস্তিতে মোট বিল বরাদ্দের ৮১ পার্সেন্ট দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বিন বারী, সহ-সভাপতি অঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলম আখুঞ্জি, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আক্কাস মুরাদ, নির্বাহী সদস্য মো. আব্দুর রব, সদস্য আবুল হোসেন, খুরশিদ আলম, মঈন উদ্দিন, আমিরুল হক, আইনুল হক, আয়ুব খান প্রমুখ।
জামালগঞ্জে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার দিনব্যাপী হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ হালি, মহালিয়া ও শনির হাওরের ২৭টি পিআইসি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। যেগুলোতে এখনো কাজ শুরুর লক্ষণ তারা দেখতে পাননি বলে জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ জানান, কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর বাঁধের কাজ শুরু হলেও ১৯ দিন পেরিয়ে গেছে। হালি, শনি ও মহালিয়া হাওরের ২৭ পিআইসির মধ্যে এখনো শুরু হয়নি কোন কাজ। গত ১৫ ডিসেম্বর হালির হাওরের ২০ নম্বর পিআইসির কাজ উদ্বোধন করা হলেও এরপর থেকে কোন কাজ করা হয়নি। এছাড়াও বাকি ২৬টি পিআইসিতেও এখনো কোন কাজ শুরুর লক্ষণ দেখা যায়নি। এমনকি কোনো প্রকল্পেই সাইনবোর্ড নেই। উল্লেখ্য, জামালগঞ্জ উপজেলায় এ বছর হালি, পাগনা, মিনি পাগনা, শনি, মহালিয়া ও জলভাঙা হাওরে ৪১টি পিআইসি’র বিপরীতে মোট বরাদ্দ হয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য মো. আব্দুর রব বলেন, আমরা দিনব্যাপী তিনটি হাওরে ২৭টি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে কোনো পিআইসির লোক পাইনি। কাজ শুরুর ১৯ দিন অতিবাহিত হলেও তিনটি হাওরের ২৭ পিআইসিতে কোন কাজ করতে দেখা যায়নি। এমনকি অনেক প্রকল্পে অনেকাংশে মাটি অক্ষত থাকলেও অপ্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে করে সরকারের অতিরিক্ত অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বিন বারী বলেন, ফসলরক্ষা বেড়িবাঁধের কাজ হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে পরিদর্শন করেছি। পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিগত বছরের তুলনায় অনেক বাঁধ প্রায় অক্ষত থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ এ বছর বেশি। বিষয়টি নিয়ে জনমনে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। পাউবো’র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুতর সহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।
পাউবো’র উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জনি বলেন, হালি, শনি, মহালিয়ায় কাজ শুরু না হলেও পাগনার হাওরের ৫টি পিআইসির কাজ শুরু হয়েছে। ২৮ শে ডিসেম্বর ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। অনেক পিআইসি গাড়ির সাথে চুক্তি করেছেন, আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে অধিকাংশ পিআইসির কাজ শুরু হবে। বাঁধের পাশ থেকে প্রতি বছর মাটি কাটার কারণে নিকটবর্তী স্থানে মাটি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই দূর থেকে মাটি সংগ্রহ করার কারণে বরাদ্দ কিছুটা বেড়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ২৪-২৫ অর্থ বছরের চতুর্থ কিস্তিতে মোট বিল বরাদ্দের ৮১ পার্সেন্ট দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন হাওর বাঁচাও আন্দোলন জামালগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বিন বারী, সহ-সভাপতি অঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলম আখুঞ্জি, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আক্কাস মুরাদ, নির্বাহী সদস্য মো. আব্দুর রব, সদস্য আবুল হোসেন, খুরশিদ আলম, মঈন উদ্দিন, আমিরুল হক, আইনুল হক, আয়ুব খান প্রমুখ।