স্টাফ রিপোর্টার ::
‘তীব্র করো হাওরের রাও/প্রাণ প্রকৃতির ভবিষ্যত বাঁচাও’ স্লোগানে ‘হাওর, নদী ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন’র ২য় সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর বিকেলে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে অধ্যাপক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে যুক্ত করা হয়েছে।
কমিটিতে সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মনোনীত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন- সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম ফয়সল, মো. জুনায়েদুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক ইদি আমিন লিওন, আল আমিন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সুকমল দে সরকার, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক আরমান, দুর্যোগ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক পলি রায় এবং কোষাধ্যক্ষ লোকমান আহমদ।
কমিটির সদস্যবৃন্দ হলেন শামস শামীম, আব্দুল হান্নান, বিকাশ চন্দ্র দাস, মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ, আলী নূর, আশরাফ উদ্দিন, সুশীল চন্দ্র দাস, জাহানারা বেগম, জাকির হোসেন জাকি, নারায়ণ চন্দ্র পাল, মো. মামুন অর রশিদ, মাহফুজুর রহমান, সাইদুর রহমান আসাদ, সালেহা বেগম, মোহাম্মদ ইসলাম উদ্দিন, রিতা রানী বর্মণ, মো. সালমান আহমদ, মো. রাজিব আহমদ, মোহাম্মদ আলী, আলমগীর হোসেন, সেলিম রেজা, মো. কামরুল হাসান, মো. এনামুল কবির, রোদ্দুর রিফাত, তাহমিদা জাহান, মো. সজিব মিয়া, ছায়াদ হোসেন সবুজ, সুমাইয়া শাহারিয়ার সিজদা, সাজু সরকার, সাইদা ইয়াসমিন, কামরুল ইসলাম বিপ্লব ও নুরানী জান্নাত।
এছাড়া কমিটির ৫ সদস্যের উপদেষ্টাবৃন্দ হলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম, বিজ্ঞানী ড. জহিরুল আলম সিদ্দিকী, এডভোকেট রুহুল তুহিন ও সোহেল সিরাজ।
নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ হাওরাঞ্চলের প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরকে যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
‘তীব্র করো হাওরের রাও/প্রাণ প্রকৃতির ভবিষ্যত বাঁচাও’ স্লোগানে ‘হাওর, নদী ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন’র ২য় সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর বিকেলে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে অধ্যাপক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে যুক্ত করা হয়েছে।
কমিটিতে সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মনোনীত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন- সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম ফয়সল, মো. জুনায়েদুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক ইদি আমিন লিওন, আল আমিন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সুকমল দে সরকার, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক আরমান, দুর্যোগ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক পলি রায় এবং কোষাধ্যক্ষ লোকমান আহমদ।
কমিটির সদস্যবৃন্দ হলেন শামস শামীম, আব্দুল হান্নান, বিকাশ চন্দ্র দাস, মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ, আলী নূর, আশরাফ উদ্দিন, সুশীল চন্দ্র দাস, জাহানারা বেগম, জাকির হোসেন জাকি, নারায়ণ চন্দ্র পাল, মো. মামুন অর রশিদ, মাহফুজুর রহমান, সাইদুর রহমান আসাদ, সালেহা বেগম, মোহাম্মদ ইসলাম উদ্দিন, রিতা রানী বর্মণ, মো. সালমান আহমদ, মো. রাজিব আহমদ, মোহাম্মদ আলী, আলমগীর হোসেন, সেলিম রেজা, মো. কামরুল হাসান, মো. এনামুল কবির, রোদ্দুর রিফাত, তাহমিদা জাহান, মো. সজিব মিয়া, ছায়াদ হোসেন সবুজ, সুমাইয়া শাহারিয়ার সিজদা, সাজু সরকার, সাইদা ইয়াসমিন, কামরুল ইসলাম বিপ্লব ও নুরানী জান্নাত।
এছাড়া কমিটির ৫ সদস্যের উপদেষ্টাবৃন্দ হলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম, বিজ্ঞানী ড. জহিরুল আলম সিদ্দিকী, এডভোকেট রুহুল তুহিন ও সোহেল সিরাজ।
নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ হাওরাঞ্চলের প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরকে যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাবেন বলে জানিয়েছেন।