দিরাই প্রতিনিধি ::
দুই বন্ধুর ঝগড়ার ঘটনায় নির্মমভাবে খুন হন দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদের ছেলে ইসলাম উদ্দিন। আহত হন আরও চারজন। নিহত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে খোকন মিয়া ওই গ্রামের ইউপি সদস্য সাজ্জাদ সর্দারকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করে দিরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এজাহারভুক্ত আসামি সেবুল সরদারকে গ্রেপ্তার করে দিরাই থানা পুলিশ। বর্তমানে গ্রেফতার আতঙ্কে সাকিতপুর গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান আসামির ঘরে তালা ঝুলছে। অন্যান্য আসামিসহ তাদের আত্মীয়-স্বজনরা গ্রেপ্তার এড়াতে গ্রাম ছেড়েছেন। গ্রামের কেউ এবিষয়ে কথা বলতে নারাজ।
নিহত ইসলাম উদ্দিনের স্ত্রী সাবিকুন নাহার কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, দুই বন্ধু ঝগড়া করছে আমার স্বামী কিছুই জানেতন না। তিনি টানাখালি বাজারে থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সওদা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সাজ্জাদ মেম্বারের বাড়ির পাশে আসলে বাংলা ভাই (সাইদুর রহমান)সহ মেম্বারের গোষ্ঠীর অন্তত ১৫-২০ জন লোক তাকে বেধড়ক মারপিট করে। তিনি জান ভিক্ষা চেয়েও তাদের কবল থেকে রক্ষা পাননি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী মানুষটিকে হারিয়ে তিন সন্তান নিয়ে আমি আজ বড় অসহায়।
নিহতের বৃদ্ধা মা আফিয়া বেগম বলেন, আমার ছেলে ঝগড়া সম্পর্কে কিছুই জানতো না। যারা আমার ছেলেকে খুন করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
দুই বন্ধুর ঝগড়ার ঘটনায় নির্মমভাবে খুন হন দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদের ছেলে ইসলাম উদ্দিন। আহত হন আরও চারজন। নিহত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে খোকন মিয়া ওই গ্রামের ইউপি সদস্য সাজ্জাদ সর্দারকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করে দিরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এজাহারভুক্ত আসামি সেবুল সরদারকে গ্রেপ্তার করে দিরাই থানা পুলিশ। বর্তমানে গ্রেফতার আতঙ্কে সাকিতপুর গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান আসামির ঘরে তালা ঝুলছে। অন্যান্য আসামিসহ তাদের আত্মীয়-স্বজনরা গ্রেপ্তার এড়াতে গ্রাম ছেড়েছেন। গ্রামের কেউ এবিষয়ে কথা বলতে নারাজ।
নিহত ইসলাম উদ্দিনের স্ত্রী সাবিকুন নাহার কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, দুই বন্ধু ঝগড়া করছে আমার স্বামী কিছুই জানেতন না। তিনি টানাখালি বাজারে থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সওদা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সাজ্জাদ মেম্বারের বাড়ির পাশে আসলে বাংলা ভাই (সাইদুর রহমান)সহ মেম্বারের গোষ্ঠীর অন্তত ১৫-২০ জন লোক তাকে বেধড়ক মারপিট করে। তিনি জান ভিক্ষা চেয়েও তাদের কবল থেকে রক্ষা পাননি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী মানুষটিকে হারিয়ে তিন সন্তান নিয়ে আমি আজ বড় অসহায়।
নিহতের বৃদ্ধা মা আফিয়া বেগম বলেন, আমার ছেলে ঝগড়া সম্পর্কে কিছুই জানতো না। যারা আমার ছেলেকে খুন করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।