ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ হত্যার বিচার দাবি

আপলোড সময় : ১৯-১২-২০২৫ ০৯:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-১২-২০২৫ ০৯:৫৭:০৭ পূর্বাহ্ন
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি ::
চার দিনের প্রতীক্ষার পর অবশেষে দেশে ফিরেছে দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৪৫)-এর নিথর দেহ। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর কাছ থেকে মরদেহ গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ এলাকায় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় অংশ নিতে হাজারো মানুষের ঢল নামে। শোক আর ক্ষোভে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো এলাকা।
নিহত আব্দুল আহাদ নরসিংপুর ইউনিয়নের রগারপাড় গ্রামের মৃত আফতর আলীর পুত্র। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দোয়ারাবাজার উপজেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন এলাকায়, কাঁটাতারের ওপারে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে নিশ্চিত হলে চার দিন পর মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ।
পরিবারের দাবি, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড-। তারা হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কথা উল্লেখ করেছেন।
পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আব্দুল আহাদকে তার ব্যবসায়িক বন্ধু, একই ইউনিয়নের দ্বীনেরটুক গ্রামের মৃত আতাউর রহমানের পুত্র নজরুল ইসলাম (৪৬) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়ারাবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
পরে জানাযায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সিলং জেলার সাইগ্রাফ থানাধীন কালারটেক বস্তির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, সীমান্তের কাঁটাতারের নিকটে তাঁর মরদেহ পড়ে আছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার একটি সূত্র। তবে হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত জানাযায় অংশ নেওয়া হাজারো মানুষ এই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে, নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com