আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয়ের জায়গা স্থানীয়দের দখলে

আপলোড সময় : ০৫-১২-২০২৫ ০৩:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৫-১২-২০২৫ ০৩:১৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার :: শাল্লা উপজেলা সদর ইউনিয়নের আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৯ শতাংশ জায়গার মধ্যে মাত্র ৭ শতাংশ জায়গা স্কুলের দখলে আছে। বাকি ৪২ শতাংশ জায়গা দখল করে নিয়েছে স্থানীয়রা। ফলে জায়গা সংকটের কারণে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ক্যাচম্যান্ট এরিয়াভুক্ত আঙ্গরুয়া ও নোয়াগাঁওবাসীর পক্ষ থেকে ১১৬ জন স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে দেয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ৪০নং জেএল, সংক্রান্ত সুখলাইন মৌজার আরএস ১৩৩৯ নং দাগের ০.১৭ একর ভূমির মধ্যে ০.১২ একর ভূমি বিদ্যালয়ের নামে হাল রেকর্ড বিদ্যমান রয়েছে এবং ওই মৌজার হাল রেকর্ডের ১/১ নং খতিয়ানে দেখা যায় আরএস ১৩৩৮ নং দাগের সাকুল্যে ০.৩৭ একর ভূমিতে আঙ্গারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডিয় ও দখলিয় বর্ণিত দুটি দাগের ০.৪৯ একর ভূমির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে বেদখলকৃত ভূমি বিদ্যালয়পর দখলে আনতে চায় এলাকাবাসী। এনিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিজিত তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়ের ৪৯ শতাংশ জায়গার মধ্যে মাত্র ৭ শতাংশ বিদ্যালয়ের দখলে আছে। যার কারণে নতুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়েও এমন দৃশ্য দেখা যায়। এ বিষয়ে আঙ্গারুয়া গ্রামের সুরঞ্জিত দাস বলেন, বিদ্যালয়ের বেদখলকৃত জায়গা উদ্ধারের জন্য দখলদার ব্রজেন্দ্র দাস ও দীপক দাসও এলাকাবাসীর সাথে অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার রায় জানান, বিদ্যালয়ের ভূমি উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসীকে অভিযোগ করার পরামর্শ আমরাই দিয়েছি। আমরাও চাই বিদ্যালয়ের জায়গা উদ্ধার হোক। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিদ্যালয়ের জায়গা বেদখল হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি। উপজেলা এলজিইডি’র সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাজু মিয়া বলেন, জায়গা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনেক স্কুলে নতুন ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছে না। আঙ্গারুয়ার পাশাপাশি উপজেলার লক্ষীপাশা সপ্রাবি, উত্তরশশারকান্দা, কলিমপুর, শেখহাটি, আগুয়াই সপ্রাবিতেও জায়গা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com