স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের তরুণগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মানিক মিয়ার পেটে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি টিউমার, অন্যদিকে নেই নিজের কোনো ঘর কিংবা আশ্রয়স্থল। চরম দরিদ্রতা আর ভয়ংকর রোগের দ্বিমুখী আক্রমণে ছোট ছোট চার সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। মানিকের এই চরম দুর্দশার খবর জানতে পেরে তার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) মানিক মিয়াকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেরিন দেবনাথ নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে চিকিৎসা খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
সহায়তা পেয়ে মানিক মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জানা যায়, মানিক মিয়ার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থের। বাড়িঘর হীন এই মানুষটির পরিবারের ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অন্ধকারে। ভয়ংকর টিউমারের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়েও অর্থাভাবে তার চিকিৎসা প্রায় বন্ধের পথে। জীবনের এই কঠিন মুহূর্তে তিনি শুধু নিজের বাঁচার জন্যই নয়, বরং তার ছোট ছোট চার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিত্তবানদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিন দেবনাথ বলেন, মানিক মিয়ার অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন অত্যন্ত ব্যথিত। মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। উপজেলা প্রশাসন সবসময় অসহায় মানুষের পাশে আছে।’
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের তরুণগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মানিক মিয়ার পেটে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি টিউমার, অন্যদিকে নেই নিজের কোনো ঘর কিংবা আশ্রয়স্থল। চরম দরিদ্রতা আর ভয়ংকর রোগের দ্বিমুখী আক্রমণে ছোট ছোট চার সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। মানিকের এই চরম দুর্দশার খবর জানতে পেরে তার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) মানিক মিয়াকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেরিন দেবনাথ নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে চিকিৎসা খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
সহায়তা পেয়ে মানিক মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জানা যায়, মানিক মিয়ার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থের। বাড়িঘর হীন এই মানুষটির পরিবারের ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অন্ধকারে। ভয়ংকর টিউমারের অসহ্য যন্ত্রণা নিয়েও অর্থাভাবে তার চিকিৎসা প্রায় বন্ধের পথে। জীবনের এই কঠিন মুহূর্তে তিনি শুধু নিজের বাঁচার জন্যই নয়, বরং তার ছোট ছোট চার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিত্তবানদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিন দেবনাথ বলেন, মানিক মিয়ার অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন অত্যন্ত ব্যথিত। মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। উপজেলা প্রশাসন সবসময় অসহায় মানুষের পাশে আছে।’