শহীদনূর আহমেদ::
তিন বার মেয়াদ বাড়িয়েও শেষ হয়নি জগন্নাথপুর পৌর এলাকার নলজুর নদীর উপর আর্চ সেতুর কাজ। নির্মাণকাজের কচ্ছপগতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতায় মেয়াদকালের দ্বিগুণ সময়েও কাজ সম্পন্ন না হওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করছেন পৌরবাসী। নির্মাণকাজের কারণে দীর্ঘ ৪ বছরের অধিক সময় ধরে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরসভাসহ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী করে দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে নির্মাণকাজে ধীরগতি পরিলক্ষিত হলেও নতুন বছরের আগেই সেতুর কাজ শতভাগ শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন এলজিইডি।
জানাযায়, প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর পৌরশহরের উপর দিয়ে প্রবাহিত নলজুর নদী। বিভাগীয় শহর সিলেট ও উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের সাথে সড়ক যোগাযোগ সুগম করতে রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১১.২৫ মিটার প্রস্থের দৃষ্টিনন্দন আর্চ সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার বরাদ্দের দুই বছর মেয়াদে সেতুর কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ‘মেসার্স ভাটি বাংলা এন্টারপ্রাইজ’ নামের কিশোরগঞ্জ জেলার একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
পৌর শহরে দৃষ্টিনন্দন সেতুর কাজ শুরু হওয়ায় উপজেলাবাসীর মনে স্বস্তি দেখা দিলেও নির্মাণকাজের মন্থর গতির জন্য হতাশ স্থানীয় বাসিন্দারা। কার্যাদেশ অনুযায়ী বহুল প্রত্যাশিত সেতুটির কাজ ২০২৪ সালের জুন মাসের শেষ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন বার মেয়াদ বর্ধিত করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।
পৌরবাসীর অভিযোগ, বৃহৎ বরাদ্দের সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই ঢিমেতালে করা হচ্ছে। নির্মাণকাজে তুলনামূলক কম শ্রমিক ব্যবহার ও নানা অজুহাত দেখিয়ে কাজ বিলম্ব করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এছাড়াও কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে নির্মাণকাজের কারণে দীর্ঘদিন ধরে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে প্রধান সড়কটিতে। সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় চলাচলে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সেতু ও নদীর উপর অস্থায়ী বেইলী সেতু দিয়ে পারাপার হতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীসহ সচেতন নাগরিকরা। তারা দ্রুততম সময়ে নির্মাণকাজ সম্পন্নের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া বলেন, জগন্নাথপুর পৌরসভাসহ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ এই সেতুর কারণে সমস্যায় রয়েছেন। উন্নয়নের নামে মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কাজের কোনো গতি নেই। কবে শেষ হবে ঠিক নেই।
আব্দুস সত্তার নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, চার বছর ধরে সেতুর কাজ হচ্ছে। একেবারে মন্থর গতিতে কাজ হচ্ছে। তিন বার মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আমরা বার বার তাগাদা দিয়ে আসছি কিন্তু কিসের কি? আমরা দাবি করছি দ্রুত সময়ে ব্রিজের কাজ সম্পন্ন করে যেন আমাদের মুক্তি দেয়া হয়।
এ বিষয়ে ঠিকাদারের প্রতিনিধি ওবায়দুর রহমান বলেন, সেতুর কাজ দেরিতে হচ্ছে এটা ঠিক। আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু শ্রমিক পাওয়া যায় না। শ্রমিক নিয়ে আসলে জটিল কাজের জন্য পালিয়ে যায়।
বর্ধিত সময়েও কাজ শেষ না করতে পারার কারণ হিসেবে বৃষ্টি-বাদলকে দায়ি করলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন। নতুন বছরের আগে কাজ শেষ করার আশ্বাস এই প্রকৌশলীর।
তিন বার মেয়াদ বাড়িয়েও শেষ হয়নি জগন্নাথপুর পৌর এলাকার নলজুর নদীর উপর আর্চ সেতুর কাজ। নির্মাণকাজের কচ্ছপগতি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতায় মেয়াদকালের দ্বিগুণ সময়েও কাজ সম্পন্ন না হওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করছেন পৌরবাসী। নির্মাণকাজের কারণে দীর্ঘ ৪ বছরের অধিক সময় ধরে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরসভাসহ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী করে দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে নির্মাণকাজে ধীরগতি পরিলক্ষিত হলেও নতুন বছরের আগেই সেতুর কাজ শতভাগ শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন এলজিইডি।
জানাযায়, প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর পৌরশহরের উপর দিয়ে প্রবাহিত নলজুর নদী। বিভাগীয় শহর সিলেট ও উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের সাথে সড়ক যোগাযোগ সুগম করতে রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১১.২৫ মিটার প্রস্থের দৃষ্টিনন্দন আর্চ সেতু নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার বরাদ্দের দুই বছর মেয়াদে সেতুর কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ‘মেসার্স ভাটি বাংলা এন্টারপ্রাইজ’ নামের কিশোরগঞ্জ জেলার একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
পৌর শহরে দৃষ্টিনন্দন সেতুর কাজ শুরু হওয়ায় উপজেলাবাসীর মনে স্বস্তি দেখা দিলেও নির্মাণকাজের মন্থর গতির জন্য হতাশ স্থানীয় বাসিন্দারা। কার্যাদেশ অনুযায়ী বহুল প্রত্যাশিত সেতুটির কাজ ২০২৪ সালের জুন মাসের শেষ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন বার মেয়াদ বর্ধিত করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।
পৌরবাসীর অভিযোগ, বৃহৎ বরাদ্দের সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু থেকেই ঢিমেতালে করা হচ্ছে। নির্মাণকাজে তুলনামূলক কম শ্রমিক ব্যবহার ও নানা অজুহাত দেখিয়ে কাজ বিলম্ব করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এছাড়াও কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে নির্মাণকাজের কারণে দীর্ঘদিন ধরে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে প্রধান সড়কটিতে। সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় চলাচলে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সেতু ও নদীর উপর অস্থায়ী বেইলী সেতু দিয়ে পারাপার হতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীসহ সচেতন নাগরিকরা। তারা দ্রুততম সময়ে নির্মাণকাজ সম্পন্নের আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া বলেন, জগন্নাথপুর পৌরসভাসহ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ এই সেতুর কারণে সমস্যায় রয়েছেন। উন্নয়নের নামে মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কাজের কোনো গতি নেই। কবে শেষ হবে ঠিক নেই।
আব্দুস সত্তার নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, চার বছর ধরে সেতুর কাজ হচ্ছে। একেবারে মন্থর গতিতে কাজ হচ্ছে। তিন বার মেয়াদ বাড়িয়েও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আমরা বার বার তাগাদা দিয়ে আসছি কিন্তু কিসের কি? আমরা দাবি করছি দ্রুত সময়ে ব্রিজের কাজ সম্পন্ন করে যেন আমাদের মুক্তি দেয়া হয়।
এ বিষয়ে ঠিকাদারের প্রতিনিধি ওবায়দুর রহমান বলেন, সেতুর কাজ দেরিতে হচ্ছে এটা ঠিক। আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু শ্রমিক পাওয়া যায় না। শ্রমিক নিয়ে আসলে জটিল কাজের জন্য পালিয়ে যায়।
বর্ধিত সময়েও কাজ শেষ না করতে পারার কারণ হিসেবে বৃষ্টি-বাদলকে দায়ি করলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন। নতুন বছরের আগে কাজ শেষ করার আশ্বাস এই প্রকৌশলীর।