
স্টাফ রিপোর্টার ::
একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সিলেটের পরিবেশগত সমস্যাবলী নিয়ে একটি সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেলা’র সিলেট বিভাগীয় সমনয়ক অ্যাডভোকেট শাহ শাহেদা আখতার।
প্রধান অতিথি শাহ শাহেদা আখতার বলেন, প্লাস্টিক একবার ব্যবহারের পর আবর্জনায় পরিণত হয়। প্লাস্টিক পচেনা, ধ্বংস হতে হাজার বছর লাগে। প্লাস্টিক ভূগর্ভস্থ জল, মহাসাগর এবং নদীকে দূষিত করে। এতে মানবদেহ ও প্রাণীকুলে মারাত্মক ক্ষতি হয়। মাটি, পানি, বায়ু সবখানেই প্লাস্টিক দূষণ চলছে।
তিনি আরও বলেন, সিলেটে টিলা কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়। টিলা ধ্বসে মৃত্যুর ঘটনা অহরহ ঘটছে। এতে পরিবেশ ও জীবন হুমকির মুখে পড়ে। টাঙ্গুয়ার হাওর নিয়ে তিনি বলেন, এখানে দলবেঁধে হাউসবোট চলে। শব্দ দূষণ হয়, প্লাস্টিকের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এনিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে আহ্বান জানান।
শাহ শাহেদা আখতার আরও বলেন, ধোপাজান ও যাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালু উত্তোলন করা হয়। এতে বাড়িঘর, ফসলি জমি হারিয়ে গেছে। পরিবেশ-প্রতিবেশ ঠিক রাখতে কারো নজরদারি নেই। এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে।
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ফোরামের সহ সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং বেলা’র ফিল্ড অফিসার শাফায়াত উল্ল্যাহ’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, স্বপন কুমার মিত্র, আব্দুল মান্নান, হাউসের নির্বাহী পরিচালক সালেহিন চৌধুরী শুভ, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জসীম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।