
মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় পাগনার হাওরের পানি নিস্কাশনের নামে টাকা আত্মসাৎতের ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ দায়ের ও অসত্য তথ্য দিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর নামক একটি পত্রিকায় "পাগনার হাওরের বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জুলফিকার চৌধুরী রানা ও ফেনারবাঁক ইউনিয়নের সাবেক বিএনপি সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জামালগঞ্জ প্রেস ক্লাব হলরুমে উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ফেনারবাঁক গ্রামের জুলফিকার চৌধুরী রানা ও ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে তাঁদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগ ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে লিখিত বক্তব্যে জুলফিকার চৌধুরী রানা বলেন,
সাবেক স্বৈরাচার সরকারের পলাতক কোনো এক দোসরের ফরমায়েশি অভিযোগ এটি। যা আমার পরিবারের মানসম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমার বিরুদ্বে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগকারী আশরাফ খান তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, ইউএনও অফিস থেকে ৫০ হাজার (পঞ্চাশ হাজার) টাকা খাল খননের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এবং তা বাস্তবায়নে আমি কাজ করেছি। কিন্তু এটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত উপজেলা প্রশাসন থেকে ইউএনও মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাব উদ্দিনের মাধ্যমে খননের কাজ করা হয়েছে। যেখানে আমি বা তৌফিক চৌধুরীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এছাড়াও অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, খাল খননের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লক্ষ (এক লক্ষ) টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছি। যা আওয়ামী সরকারের পলাতক এক দোসরের ফরমায়েশি ইশারায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন আশরাফ খান। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে গজারিয়া স্লুইস গেইটের পশ্চিম অংশে অর্থাৎ সুরমা নদীর পাড়ের অংশটি পলি মাটি দিয়ে সম্পূর্ন ভাবে ভরাট হয়ে গিয়েছিলো। যা ইউএনও মহোদয় ভিজিট করে আসছেন এবং এটি খননের জন্য পূনরায় তিনি আরো ১০ (দশ হাজার) টাকা সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিনকে বরাদ্দ দিয়ে খননের কাজ করিয়েছেন।
এই বরাদ্দে পর্যাপ্ত কাজ না হওয়ায় কৃষকের আহাজারির করুন দৃশ্য স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে, যা আমারও দৃষ্টি গোচর হয়েছে। যেহেতু আমি একজন রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি ও ২৮ হাজার ভোটের ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে তিন তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। এবং সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে ৫১ ভোটে পরাজিত হয়েছি। এই এলাকার জনগন আমাকে বারবার তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করেছেন। তাই এই এলাকার কৃষক ও ভোটারের জন্য আমার দায়বদ্ধতা আছে বলেই নিজ উদ্যোগে কেবলমাত্র কৃষকের স্বার্থে কয়েক গ্রামের কৃষক ও নেতৃস্থানীয়দেরকে নিয়ে পাগনার হাওরের জলাবদ্ধতা রোধে এগিয়ে এসেছিলাম।
নিজেদের অর্থ প্রদান ও সম্মিলিত স্বেচ্ছাশ্রম ও কিছু শ্রমিকদের দিয়ে হাওর থেকে পানি নিস্কাশনের কাজটি সম্পন্ন করার লক্ষে হাওরের বিভিন্ন অংশে পলিমাটি খননের কাজ শুরু করি। যা গত ৯ ডিসেম্বর আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তারিত প্রচার করেছি। অভিযোগকারী আশরাফ খান ও তার বড় ভাই মোজাম্মেল খান গত ৫ আগষ্টের পর আমাদের উপর মিথ্যা ও লুটপাটের মামলা করেছেন। পরবর্তীতে তদন্ত করে তা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এর জেরেই তারা দুই ভাই আমাদেরকে হয়রানি করার লক্ষে পূনরায় নতুন করে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে তৌফিক চৌধুরী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, অভিযোগকারী আশরাফ খান ফেনারবাঁক ইউনিয়নের কৃষকলীগের সদস্য, তার বিরুদ্ধে এলাকায় অনেক অভিযোগ আছে। সে একজন দুষ্কৃতকারী লোক। খাল খননের নামে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগটি দায়ের করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা দুইজন এই মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং তদন্ত করে মানহানির বিচার দাবি করছি।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় পাগনার হাওরের পানি নিস্কাশনের নামে টাকা আত্মসাৎতের ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ দায়ের ও অসত্য তথ্য দিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর নামক একটি পত্রিকায় "পাগনার হাওরের বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জুলফিকার চৌধুরী রানা ও ফেনারবাঁক ইউনিয়নের সাবেক বিএনপি সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জামালগঞ্জ প্রেস ক্লাব হলরুমে উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ফেনারবাঁক গ্রামের জুলফিকার চৌধুরী রানা ও ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে তাঁদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগ ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে লিখিত বক্তব্যে জুলফিকার চৌধুরী রানা বলেন,
সাবেক স্বৈরাচার সরকারের পলাতক কোনো এক দোসরের ফরমায়েশি অভিযোগ এটি। যা আমার পরিবারের মানসম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমার বিরুদ্বে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগকারী আশরাফ খান তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, ইউএনও অফিস থেকে ৫০ হাজার (পঞ্চাশ হাজার) টাকা খাল খননের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এবং তা বাস্তবায়নে আমি কাজ করেছি। কিন্তু এটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত উপজেলা প্রশাসন থেকে ইউএনও মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাব উদ্দিনের মাধ্যমে খননের কাজ করা হয়েছে। যেখানে আমি বা তৌফিক চৌধুরীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এছাড়াও অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, খাল খননের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লক্ষ (এক লক্ষ) টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছি। যা আওয়ামী সরকারের পলাতক এক দোসরের ফরমায়েশি ইশারায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন আশরাফ খান। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে গজারিয়া স্লুইস গেইটের পশ্চিম অংশে অর্থাৎ সুরমা নদীর পাড়ের অংশটি পলি মাটি দিয়ে সম্পূর্ন ভাবে ভরাট হয়ে গিয়েছিলো। যা ইউএনও মহোদয় ভিজিট করে আসছেন এবং এটি খননের জন্য পূনরায় তিনি আরো ১০ (দশ হাজার) টাকা সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃ শাহাব উদ্দিনকে বরাদ্দ দিয়ে খননের কাজ করিয়েছেন।
এই বরাদ্দে পর্যাপ্ত কাজ না হওয়ায় কৃষকের আহাজারির করুন দৃশ্য স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে, যা আমারও দৃষ্টি গোচর হয়েছে। যেহেতু আমি একজন রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি ও ২৮ হাজার ভোটের ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে তিন তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। এবং সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে ৫১ ভোটে পরাজিত হয়েছি। এই এলাকার জনগন আমাকে বারবার তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করেছেন। তাই এই এলাকার কৃষক ও ভোটারের জন্য আমার দায়বদ্ধতা আছে বলেই নিজ উদ্যোগে কেবলমাত্র কৃষকের স্বার্থে কয়েক গ্রামের কৃষক ও নেতৃস্থানীয়দেরকে নিয়ে পাগনার হাওরের জলাবদ্ধতা রোধে এগিয়ে এসেছিলাম।
নিজেদের অর্থ প্রদান ও সম্মিলিত স্বেচ্ছাশ্রম ও কিছু শ্রমিকদের দিয়ে হাওর থেকে পানি নিস্কাশনের কাজটি সম্পন্ন করার লক্ষে হাওরের বিভিন্ন অংশে পলিমাটি খননের কাজ শুরু করি। যা গত ৯ ডিসেম্বর আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তারিত প্রচার করেছি। অভিযোগকারী আশরাফ খান ও তার বড় ভাই মোজাম্মেল খান গত ৫ আগষ্টের পর আমাদের উপর মিথ্যা ও লুটপাটের মামলা করেছেন। পরবর্তীতে তদন্ত করে তা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এর জেরেই তারা দুই ভাই আমাদেরকে হয়রানি করার লক্ষে পূনরায় নতুন করে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে তৌফিক চৌধুরী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, অভিযোগকারী আশরাফ খান ফেনারবাঁক ইউনিয়নের কৃষকলীগের সদস্য, তার বিরুদ্ধে এলাকায় অনেক অভিযোগ আছে। সে একজন দুষ্কৃতকারী লোক। খাল খননের নামে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগটি দায়ের করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা দুইজন এই মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং তদন্ত করে মানহানির বিচার দাবি করছি।