
স্টাফ রিপোর্টার ::
বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, লেখক-গবেষক বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু’র চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর পরিমল কান্তি দে।
সংস্কৃতিকর্মী মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অ্যাড. হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী নূরুল মোমেন, কবি ও লেখক সুখেন্দু সেন, অ্যাডভোকেট রবিউল লেইস রোকস, কবি ইয়াকুব বখত বাহলুল প্রমুখ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মরহুমের স্ত্রী কবি মুনমুন চৌধুরী, ভাতিজি আফরিন চৌধুরী।
সভায় বক্তারা বলেন, বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, লেখক-গবেষক। তিনি অত্যন্ত গুণী ব্যক্তি এবং আলোকিত মানুষ ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার জন্য চেষ্টা করে সফল হয়েছেন। তিনি শিক্ষার প্রসারে উচ্চবিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। অনেক মানুষকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তিনি গরিব ও দিনমজুর শ্রেণি মানুষের অনেক উপকার করেছেন।
বক্তারা আরও বলেন, এক সময়ে সুনামগঞ্জের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক একটি পত্রিকা বের করতেন। এতে সুনামগঞ্জে সাংবাদিকতার প্রসার ঘটেছে। তাঁর লেখা বই পড়ে মানুষ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পেরেছে। এই তথ্য সূত্র থেকে পরবর্তীতে অনেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখেছেন। অনেকে আবার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বই বের করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পেরে আমরা গর্বিত। তিনি প্রবাসেও জীবন কাটিয়েছেন দীর্ঘ সময়।
বক্তারা বলেন, হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংগঠন নিয়ে কৃষকদের ফসল রক্ষায় আন্দোলন করেছেন বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে সফলতা এসেছে। তিনি সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে ভালবেসেছেন। সকল প্রগতিশীল কাজে বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর সম্পৃক্ততা ছিল।