স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। অভিযোগটিকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে এর পেছনে একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। একই সঙ্গে অবিলম্বে অভিযোগ প্রত্যাহার এবং এর নেপথ্যে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ট্রাফিক পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ লিলুর সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সাংগঠনিক স¤পাদক কামরুল হাসান রাজুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, অ্যাডভোকেট মাসুক আলম, নাদির আহমেদ, রেজাউল হক, অ্যাডভোকেট শেরে নূর আলী, জেলা যুবদলের সাধারণ স¤পাদক মামুনুর রশীদ কয়েস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তারেক মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের নেপথ্য কারণ হিসেবে বক্তারা সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কের ৮৭ কোটি টাকার নির্মাণকাজে অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাদের দাবি, ওই সড়ক নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নূরুল। উন্নয়নকাজে অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই শফিকুল নামের এক সাব-ঠিকাদারকে দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করানো হয়েছে। বক্তারা প্রশ্ন তুলে বলেন, সরকারি উন্নয়নকাজে অনিয়মের প্রতিবাদ করাই কি একজন সংসদ সদস্যের অপরাধ? জনগণের অর্থে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণে যদি তাঁকে চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য জনপ্রতিনিধিরাও অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে নিরুৎসাহিত হবেন। তারা আরও বলেন, নূরুল ইসলাম নূরুল দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করছেন। তিনি উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের আড়ালে যদি কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের উদ্দেশ্য থাকে, সেটিও খতিয়ে দেখতে হবে। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি অভিযোগের পেছনে কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এমন অভিযোগ করা হয়েছে এবং ৮৭ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান বক্তারা। এ সময় তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হলে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। অভিযোগটিকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে এর পেছনে একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। একই সঙ্গে অবিলম্বে অভিযোগ প্রত্যাহার এবং এর নেপথ্যে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ট্রাফিক পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ লিলুর সভাপতিত্বে এবং জেলা যুবদলের সাংগঠনিক স¤পাদক কামরুল হাসান রাজুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, অ্যাডভোকেট মাসুক আলম, নাদির আহমেদ, রেজাউল হক, অ্যাডভোকেট শেরে নূর আলী, জেলা যুবদলের সাধারণ স¤পাদক মামুনুর রশীদ কয়েস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তারেক মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের নেপথ্য কারণ হিসেবে বক্তারা সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কের ৮৭ কোটি টাকার নির্মাণকাজে অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাদের দাবি, ওই সড়ক নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নূরুল। উন্নয়নকাজে অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই শফিকুল নামের এক সাব-ঠিকাদারকে দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করানো হয়েছে। বক্তারা প্রশ্ন তুলে বলেন, সরকারি উন্নয়নকাজে অনিয়মের প্রতিবাদ করাই কি একজন সংসদ সদস্যের অপরাধ? জনগণের অর্থে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণে যদি তাঁকে চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য জনপ্রতিনিধিরাও অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে নিরুৎসাহিত হবেন। তারা আরও বলেন, নূরুল ইসলাম নূরুল দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করছেন। তিনি উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের আড়ালে যদি কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের উদ্দেশ্য থাকে, সেটিও খতিয়ে দেখতে হবে। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি অভিযোগের পেছনে কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এমন অভিযোগ করা হয়েছে এবং ৮৭ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান বক্তারা। এ সময় তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম নূরুলের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হলে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।