দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি::
দোয়ারাবাজার উপজেলার পলিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলামকে বিদ্যালয়ে ঢুকে হেনস্তা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলামের অভিযোগ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে শহিদুল ইসলামের মামাতো বোনের নাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষুব্ধ হন।
বুধবার বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলাকালে শহিদুল স্কুলে প্রবেশ করে তাকে অল্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারতে তেড়ে আসেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলামের মামাতো বোনের নাম স্কুল কমিটিতে না দেওয়ায় তিনি আমাকে মারতে তেড়ে আসেন এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি লালমিয়া বলেন, বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ অনাকাক্সিক্ষত। বখাটে শহীদুল ইসলাম আরও কয়েকবার এভাবে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিদ্যালয় চলাকালে একজন শিক্ষকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ শিক্ষার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
দোয়ারাবাজার উপজেলার পলিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলামকে বিদ্যালয়ে ঢুকে হেনস্তা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলামের অভিযোগ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে শহিদুল ইসলামের মামাতো বোনের নাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষুব্ধ হন।
বুধবার বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলাকালে শহিদুল স্কুলে প্রবেশ করে তাকে অল্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারতে তেড়ে আসেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রধান শিক্ষক সামসুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলামের মামাতো বোনের নাম স্কুল কমিটিতে না দেওয়ায় তিনি আমাকে মারতে তেড়ে আসেন এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি লালমিয়া বলেন, বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ অনাকাক্সিক্ষত। বখাটে শহীদুল ইসলাম আরও কয়েকবার এভাবে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিদ্যালয় চলাকালে একজন শিক্ষকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ শিক্ষার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।